চাকরির বয়স ৩৫ না করার পক্ষে যুক্তি দিলেন প্রধানমন্ত্রী


ঢাকা
Published: 2019-07-08 17:28:25 BdST | Updated: 2019-07-21 15:46:24 BdST

চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ করার প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এখন নিয়মিত পড়াশোনা করলে ২৩-২৫ বছরের মধ্যেই সরকারি চাকরির পরীক্ষা দিতে পারে। এছাড়া তিনটি বিসিএসে দেখা গেছে যারা বেশি বয়সী তাঁদের পাশের হার খুবই কম।
আজ সোমবার গণভবনে চীন সফরের পর আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন জন্ম নিবন্ধন হয়। নিয়মিত পড়াশোনা করলে ১৬ বছরে এসএসসি পাশ করে। এরপর দুই বছরে এইচ এস সি। এরপর চার বছরে অনার্স ও এক বছরে মাস্টার্স করলে ২৩ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে সরকারি চাকরির পরীক্ষা দিতে পারে।
তিনটি বিসিএসের প্রসঙ্গ টেনে প্রধান মন্ত্রী বলেন, ৩৫ তম বিসিএসে ২৩ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে পাশের হার ৪০.৭ ভাগ, ২৫-২৭ বছরের মধ্যে পাশের হার ৩০.২৯, ২৭-২৯ বয়সে ১৩.১৭ শতাংশ প্রার্থী পাশ করেছেন এছাড়া ২৯ বছরের বেশি বয়স যেসব প্রার্থীর ৩.৪৫ ভাগ পাশ করেছেন।
৩৬ তম বিসিএসে ২৩ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে পাশের হার ৩৭.৪৫ ভাগ, ২৫-২৭ বছরের মধ্যে পাশের হার ৩৪.৭৮, ২৭-২৯ বয়সে ১৯.৮৯ শতাংশ প্রার্থী পাশ করেছেন এছাড়া ২৯ বছরের বেশি বয়স যেসব প্রার্থীর ৩.২৩ ভাগ পাশ করেছেন।
এছাড়া ৩৭ তম বিসিএসে ২৩ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে পাশের হার ৪৩.৬৫ ভাগ, ২৫-২৭ বছরের মধ্যে পাশের হার ২৩.৩৫, ২৭-২৯ বয়সে ৭.২০ শতাংশ প্রার্থী পাশ করেছেন এছাড়া ২৯ বছরের বেশি বয়স যেসব প্রার্থীর ০.৬১ ভাগ পাশ করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন করে বলেন, এখন আপনারাই বলেন চাকরির বয়স বাড়ালে কি হবে?

প্রধানমন্ত্রী চাকরিতে প্রবেশের বয়স না বাড়ানোর পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেন, চাকরি প্রার্থীদের যদি ৩৫ বছর বয়সে চাকরিতে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হয় তত দিন তাদের ঘর-সংসার বউ বাচ্চা হবে। এই বয়সে এসব সামলে চাকরি পাওয়া কঠিন। এ ছাড়া যদি কোন প্রার্থী ৩৫ বছরে চাকরিতে প্রবেশ করে তাহলে প্রশিক্ষণের পর চাকরি শুরু করতে করতে তাঁর বয়স হবে ৩৭। এই বয়সে চাকরিতে প্রবেশ করলে তাঁর চাকরির বয়স ২৫ বছর হবে না। এটি না হলে তিনি চাকরিতে পূর্ণ পেনশনও পাবেন না।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।