উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির পূর্বে ডোপটেস্ট বাধ্যতামূলক


Dhaka
Published: 2020-02-23 23:22:01 BdST | Updated: 2020-09-24 07:42:50 BdST

মাদকমুক্ত শিক্ষিত জাতি গঠনে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির পূর্বে ডোপটেস্ট বা বিশেষ স্বাস্থ্য পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংসদীয় কমিটির সুপারিশের প্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ থেকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

 রবিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে আরো জানানো হয়েছে, এখন থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে অবশ্যই ডোপটেস্টে উত্তীর্ণ হতে হবে। শুধু তাই নয়, দেশের সকল সরকারি-বেসরকারি চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে ডোপটেস্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এজন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের আওতাধীন সকল অধিদপ্তর ও সংস্থাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সেই আলোকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-১ শাখা হতে ২০১৮ সালের ৫ সেপ্টেম্বর সকল শ্রেণির সরকারি চাকুরিতে প্রবেশের সময় বিদ্যমান ব্যবস্থার সাথে ডোপটেস্ট অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি মো. শামসুল হক টুকু। বৈঠকে কমিটির সদস্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, মো. হাবিবর রহমান, সামছুল আলম দুদু, কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, পীর ফজলুর রহমান, নূর মোহাম্মদ ও সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কমিটি সূত্র জানায়, বৈঠকে চলমান মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে আলোচনা হয়। এ অভিযানের পক্ষে সামাজিক আন্দোলন জোরদার, সচেতনতা বৃদ্ধি ও সংশ্লিষ্ট সকলকে মাদকের বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে কাজ করার পরামর্শ দেওয়া হয়। এ ছাড়া কারাগারে মাদকাসক্তদের পৃথকভাবে রাখার সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে রাজনৈতিক পদধারী যারা আটক হচ্ছেন তাদের বিষয়ে গভীর তদন্ত করতে বলা হয়েছে। এদের পেছনে কারা মদদ দিচ্ছে, তাদের খুঁজে বের করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া আত্মসমর্পণকারী চরমপন্থিরাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা ও মেট্রোপলিটন এলাকার সকল থানার অফিসার ইনচার্জসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই নির্দেশনা মোতাবেক কাজ করা হচ্ছে। তদের সার্বিক কার্যক্রম পুলিশের নজরদারিতে রাখা হয়েছে। এ ছাড়া বৈঠকে গ্রামীণ এলাকার থানার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য পর্যপ্ত আবাসনের ব্যবস্থা রাখার সুপারিশ করা হয়েছে।