কোটা চিরস্থায়ী ব্যবস্থা নয়


টাইমস ডেস্ক
Published: 2018-02-18 11:05:02 BdST | Updated: 2018-09-23 05:35:33 BdST

বর্তমানে ২৫৮ ধরনের কোটা আছে। চাকরিতে এই কোটা ব্যবস্থা অবশ্যই সংস্কার করা উচিত। প্রথমত জেলা কোটা উঠিয়ে দিয়ে বিভাগীয় কোটা চালু করলে এমনিতেই অনেক মেধাবী চলে আসবে। আর মুক্তিযোদ্ধা, নারী, উপজাতিসহ অন্যান্য কোটা সার্বিক মেধার ভিত্তিতে হওয়া উচিত, বিভাগীয় কোটার ভিত্তিতে নয়। মুক্তিযোদ্ধা কোটা থাকতে পারে। তবে অনগ্রসর হিসেবে মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে কেবল যাঁরা ভাতা পান, দুস্থ হিসেবে যাঁদের সরকারিভাবে বাড়ি করে দেওয়া হয়েছে তাঁদের সন্তানদের জন্য কোটা থাকতে পারে।

এর আগে করা তিনটি কমিশনই চাকরিতে কোটা উঠিয়ে দেওয়ার সুপারিশ করেছিল। এর মধ্যে একটি কমিশন করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, আরেকটি জিয়াউর রহমান এবং আরেকটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু আমরা যে গবেষণা করেছিলাম, তাতে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে উল্লেখিতভাবে কোটা রাখার সুপারিশ করেছিলাম। আরেকটি সুপারিশ হলো কোটা চিরস্থায়ী ব্যবস্থা নয়। জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের কোটা যেমন চিরস্থায়ী ভিত্তিতে করা হয় না, এটাও নির্দিষ্ট সময়ের জন্য করা হয়। প্রত্যেক কোটারই নির্দিষ্ট সীমা থাকবে। সে জন্য পাঁচ বছর পরপর কোটা পর্যালোচনা করা উচিত।

আকবর আলি খান, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা

এসএম/ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।