কোটা সংস্কার আন্দোলনকে সমর্থন দিল মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের ২ শীর্ষ নেতা


ঢাবি টাইমস
Published: 2018-03-20 01:10:30 BdST | Updated: 2018-07-17 15:55:09 BdST

মুক্তিযোদ্ধা কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের কয়েকবারের নির্বাচিত সাবেক মহাসচিব যোদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা নাঈম জাহাঙ্গীর এবং মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড এর সিনিয়র সহ-সভাপতি জনাব মেজবাহউদ্দিন কোটা সংস্কার আন্দোলনকে স্বাগত জানিয়ে পৃথক পৃথক বিবৃতি দিয়েছেন।

সোমবার মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের দুই নেতার সাথে সাক্ষাৎ করেন কোটা সংস্কার আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-আহবায়ক ঢাবির গণিত বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী মোঃ আতাউল্লাহ।

অনলাইন সংবাদমাধ্যম বিডি মর্নিং’কে দেয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে লক্ষ বেকারের প্রাণের নেতৃত্বদানকারী মোঃ আতাউল্লাহ মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের দুই নেতার বিবৃতি তুলে ধরেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা নাঈম জাহাঙ্গীর বলেছেন, ‘এই কোটা সংস্কার আন্দোলনে আমার পূর্ণ সমর্থন আছে। আমি আপনাদের কর্মসূচিতে এসে একাত্মতা প্রকাশ করতে চাই।’

তিনি আরো বলেছেন, একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে রাষ্ট্র আমাকে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দিয়েছে। স্বাধীনতার ৪৭ বছর পর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ৩০% কোটা রাখার কোন যৌক্তিকতা নেই। কোটা সংস্কারে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের যে কোন ধরনের সহায়তা তার পক্ষ থেকে সব সময় অব্যাহত থাকবে।

এদিকে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড এর সিনিয়র সহসভাপতি জনার মেজবাহউদ্দিন বলেন, ‘নাতি-পুতি কোটা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া উচিৎ। আর আমার মতে কোটা সংরক্ষণ না করে মেধাবীদের নিয়োগ দেওয়া উচিত কারণ এটা যৌক্তিক দাবি, এটা ৯৮% মানুষের প্রাণের দাবি।’

কথা বলার এক পর্যায়ে মোঃ আতাউল্লাহ এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে একদিন এসে আন্দোলনকারীদের যৌক্তিক দাবির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে বক্তব্য দেয়ার জন্য অনুরোধ করলে তিনি তাতে রাজি হন।

কোটা সংস্কার আন্দোলন সম্পর্কে জানতে চাইলে মোঃ আতাউল্লাহ বলেল, ‘দেশ স্বাধীনতা পর ১৫-২০ বছরে অনগ্রসর গোষ্ঠীর জন্য কোটার দরকার ছিল। কিন্তু আজ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলাদেশ। এ মুহূর্তে ৫৬% কোটা ১০%এ নামিয়ে নেয়া উচিত। আর আমরা দ্রুত ৫ দফা দাবির বাস্তবায়ন চাই।’

বিদিবিএস 

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।