‘দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রতি একরাশ প্রশ্ন রেখে গেলো মেয়েটি’


টাইমস অনলাইনঃ
Published: 2018-05-23 11:57:33 BdST | Updated: 2018-10-24 01:30:39 BdST

‘দেশবাসীর ভালোবাসা, মা-বাবার দোয়া, চিকিৎসকদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আর্থিক সহযোগিতা সব কিছুকে তুচ্ছ করে চলে গেলো মুক্তামনি। ১২ বছরের ছোট্ট মেয়েটি এদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রতি যেন রেখে গেল একরাশ প্রশ্ন।’ মুক্তামনির মৃত্যুর পর হতাশা প্রকাশ করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন এসব কথা বলেন। তিনি বলেন,‘তার মৃত‌্যুর সংবাদ শুনেছি, এটা তো খুবই খারাপ খবর।’

তিনি বলেন, ‘ওর যে রোগে ভুগছিল তা নিয়ে এমন পর্যায়ে আমাদের কাছে এসেছে যখন আর কোনও উপায় ছিল না। আরও আগে যদি আসতো তাহলে ডেফিনেটলি সেটা সারিয়ে তোলা যেতো।’

ডা. সামন্ত বলেন, ‘গতকাল (মঙ্গলবার) আমি তার বাসায় সিভিল সার্জনকে দিয়ে চিকিৎসকও পাঠিয়েছিলাম। আমার চিকিৎসকরা গিয়েছিলেন। গত এক সপ্তাহ ধরে ওর বাবার সঙ্গে কথা বলেছি। আসতে বলছিলাম। ওরা কিছুতেই আসতে চায় না। কালকে চিকিৎসকরা তাকে দেখার পর আমাকে বললো, স্যার অত্যন্ত রক্তশূন্যতায় ভুগছে মুক্তামনি। তাকে ব্লাড দিতে হবে। আজকে (বুধবার) সকালেও অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে গেছিল, কিন্তু কিছু করার নেই। ওরা আসল না। খুবই দুঃখজনক।’

আপনারা তো মুক্তামনির জন্য অনেক চেষ্টা করেছেন-এমন মন্তব্যের জবাবে ডা. সামন্ত লাল বলেন, ‘আমি চিকিৎসক হিসেবে তো বহু রোগীর মৃত‌্যু দেখেছি। কিন্তু মুক্তামনির মৃত‌্যুটা আমার জন্য খুবই হৃদয় বিদারক। সেই জন‌্যই আমার বেশি খারাপ লাগছে।’

প্রসঙ্গত, রক্তনালীর টিউমারে আক্রান্ত মুক্তামনি বুধবার (২৩ মে) সকাল ৮টার দিকে সদর উপজেলার কামারবাসা গ্রামের নিজ বাড়িতে মারা যায়।

বিদিবিএস 

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।