বশেমুরবিপ্রবি'তে ১৭ দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ


টাইমস ডেস্ক
Published: 2019-11-05 21:34:15 BdST | Updated: 2019-11-20 11:28:54 BdST

গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা বাড়ানোর দাবিতে শিক্ষার্থীরা নানা শ্লোগান দেয়। পরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে দেয়া ১৭ দফা দাবি দেওয়া হয়।

দাবিগুলো হলো :

বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল, শহীদ মিনার এবং প্রধান ফটকের নির্মাণ কাজ অতি দ্রুত শুরু করতে হবে।

আবাসিক হলে প্রতি সিটের ভাড়া ১৫০ টাকা এবং গণরুমের ভাড়া ২৫ টাকা করতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ফি সর্বোচ্চ ১২ হাজার টাকা, সেমিস্টার ফি দুই হাজার টাকা এবং উন্নয়ন ফি বাদ দিতে হবে।

ক্লাসে উপস্থিতি ৫০% করতে হবে এবং ইমপ্রুভমেন্ট সিস্টেম চালু করতে হবে।

প্রতি সেমিস্টারে বেতন বাবদ ১২০০ টাকার স্থলে ৬০০ টাকা করতে হবে।

শুধু মাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস নয়, ক্যাম্পাসের বাইরেও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকেই নিতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় (২০১৯-২০২১ শিক্ষা বর্ষ থেকে) সকল বিভাগে সর্বোচ্চ আসন ৫০ করতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা অতিদ্রুত এবং ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে পানি পানের সু-ব্যবস্থা থাকতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়তন ৫৫ একর থেকে বাড়িয়ে ১৫০ একর করতে হবে।

শিক্ষার্থীদের প্রতি শিক্ষকদের ব্যক্তিগত ক্ষোভ যেন একাডেমিক প্রভাব না ফেলে, শিক্ষকদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে।

সেমিস্টার ফি প্রতি ক্রেডিট ১০০ টাকার স্থলে ৫০ টাকা করতে হবে।

যেসব বিভাগে কম্পিউটার নাই, তারা প্রতি সেমিস্টারে কম্পিউটার বাবদ ২৫০ টাকা দেবে না।

যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নাই, সেহেতু তারা ছাত্র সংসদ ফি দেবে না এবং পূর্বের টাকার হিসাব দিতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে স্টুডেন্ট কমনরুম নাই, শিক্ষার্থীরা কমনরুম বাবদ টাকা দেবে না এবং আগের টাকার হিসাব দিতে হবে।

ক্যাফেটেরিয়া, অডিটোরিয়াম, এম্ফিথিয়েটারের নির্মাণ কাজ দ্রুত শুরু করতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব চিকিৎসা ভবন করতে হবে, চিকিৎসা ফি ২২৫ টাকার স্থলে ১০০ টাকা করতে হবে।

প্রতি সেমিস্টারে বাস ভাড়া ৩০০ টাকা করতে হবে এবং ছাত্র কল্যাণ বাবদ ৫০ টাকা করতে হবে।

এই ১৭ দফা দাবি সম্বলিত চিঠিটি রেজিষ্ট্রারের পক্ষে প্রক্টর ড. রাজিউর রহমান গ্রহণ করেন।

টিআর/ ০৫ নভেম্বর ২০১৯