“মেধা কোটা” শব্দ ব্যবহারে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের আপত্তি


টাইমস ডেস্ক
Published: 2018-06-09 10:46:01 BdST | Updated: 2018-06-22 05:35:11 BdST

“মেধা কোটা” শব্দ ব্যবহারে আপত্তি জানিয়েছে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা। শুক্রবার (০৮ জুন) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু ভবনে "বৈষম্য দূরীকরণে কোটা ব্যবস্থার বাস্তবায়ন শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল এর আয়োজন করে আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এ আলোচনা সভায় তারা এ আপত্তি জানান।

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের উপ-মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক আল-মামুন প্রশ্ন রেখে বলেন, মেধা কোটা শব্দটি কোথায় লেখা? দেশের সকল নাগরিক যখন কোটায় অন্তর্গত তখন মেধা কোটা বলে কারা জাতিকে বিভ্রান্ত করতে চায় তা পরিষ্কার।

অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে পিএসসির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ড.আনোয়ারা বেগম বলেন "বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না এমন কাউকে আমার পক্ষে চাকরীদেয়া সম্ভব নয়, একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে আমি স্বঘোষিত রাজকারদের চাকরি দিতে পারবো না। কারণ রাজাকার কি জিনিস তা আমি জানি।

তিনি আরো বলেন, মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা কর্ম কমিশনে স্বাধীনতা বিরোধীদের ষড়যন্ত্রের কারণে চাকরী বঞ্চিত হচ্ছে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বের সাথে না নিলে এর পরিণতি হবে ভয়াবহ।

আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ সম্পাদক অভিজিৎ সরকার বলেন, "পিএসসির চেয়ারম্যান নিজে যখন কোটা সংস্কার আন্দোলনের শীর্ষ উস্কানীদাতা তখন পিএসসি সম্পর্কে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের আলাদা করে বলার মত কিছুই থাকেন না। তিনি অবিলম্বে পিএসসির চেয়ারম্যান ড. সাদিক কে অপসারণের দাবী জানান।

এই আলোচনা সভা ও গোল টেবিল বৈঠকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রায় কয়েক শ ছাত্র-ছাত্রী ও বিশিষ্ট জনেরা এই আলোচনা ও গোলটেবিল বৈঠকে অংশগ্রহণ করণ করেন।

আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো.সাজ্জাদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ড.রাশেদুজ্জামান শাহীন, ইঞ্জিনিয়ার এনামূল হক, জাহিদ হাসান অতনু প্রমুখ।

এসএইচ/ ০৯ জুন ২০১৮

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।