চার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট: শীর্ষে ঢাবি পিছিয়ে জবি


মেহেরাবুল ইসলাম সৌদিপ
Published: 2020-09-16 11:16:19 BdST | Updated: 2020-11-28 10:34:29 BdST

করোনাকালীন সংকটময় এই সময়ে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। দেশের সনামধন্য চারটি বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি), রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) বাজেট পাশ হয়েছে। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি বাজেট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং সবচেয়ে কম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে। চলুন জেনে নেয়া যাক ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট কত:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ঃ ৮৬৯.৫৬ কোটি টাকার বাজেট পাস করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। খাত-অনুযায়ী বরাদ্দের মধ্যে থাকছে- বেতন বাবদ ৩০.৭১ শতাংশ, ভাতা বাবদ ২২.৭৭ শতাংশ, সরবরাহ ও সেবা বাবদ ১৪.৩৮ শতাংশ, অবসর ও অবসরকালীন সুযোগ-সুবিধা বাবদ ৩.৫২ শতাংশ এবং অন্যান্য খাতে ২.৭২ শতাংশ।

বাজেটের ৮৬.০৩ শতাংশ যা প্রায় ৭৪৮.৫৬ কোটি টাকা আসবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) থেকে। অপরদিকে ৮.১৭ শতাংশ অর্থাৎ ৭১.৩৮ কোটি টাকা আসবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এবং বাকি ৫.৮১ শতাংশ বা ৫০ কোটি টাকার বাজেট ঘাটতি দেখানো হয়েছে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ঃ এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রায় ৪৩৩ কোটি টাকার বাজেট পাস হয়েছে। এ বছর গবেষণা খাতে বাজেট বরাদ্দ হয়েছে ৫ কোটি টাকা। যা মোট বাজেটের মাত্র ১.১৫৪ শতাংশ। যার মধ্যে ৬০ লাখ টাকা বিশেষ বরাদ্দ পেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টির গবেষণা খাত।

চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ঃ ২০২০-২১ অর্থবছরে চবির বাজেট ৩৫১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। পণ্য ও সেবা বাবদ সহায়তা হিসেবে ৬০ কোটি ৯০ লাখ ও পেনশন ও অবসর সুবিধা হিসেবে ৫০ লাখ টাকার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এদিকে পরিবহন খাতে ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা ও ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্স অ্যান্ড ফিশারিজ এর গবেষণা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির খাতে ২ কোটি ৪১ লাখ ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ঃ এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২০-২১ অর্থ বছরের ১৫৭ কোটি ৮০ লাখ টাকার মূল (রাজস্ব) বাজেট পাস হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তার জন্য (দুপুরের খাবার প্রদানসহ) ১ কোটি টাকা, ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তির জন্য ২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা (যা বিগত বছরের ১০গুণ বেশি) বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। চিকিৎসা সেবা উন্নত করার লক্ষে পিসিআর ল্যাব স্থাপন বাবদ ৩ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা, জিনোম ল্যাব স্থাপন বাবদ ১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা, চিকিৎসা সংক্রান্ত ঔষধপত্র/ব্যয় বাবদ ৩০ লক্ষ (যা বিগত বছরের দশগুণ বেশি), রোগ নির্ণায়ক যন্ত্রপাতি ও ল্যাবরেটরি স্থাপন বাবদ ২ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে।

তাছাড়াও গবেষণা খাতে ২ কোটি টাকা, শিক্ষা উপকরণ ও যন্ত্রপাতি ক্রয়ে ৯ কোটি ৭ লক্ষ টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। এছাড়াও যানবাহন খাতে ৭ কোটি ৯৯ লক্ষ টাকা এবং তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে ১ কোটি ৭ লক্ষ টাকা রবাদ্দ রাখা হয়েছে।