ঢাবি থেকে অনার্স শেষ করতে পারেননি নায়ক সিয়াম আহমেদ


টাইমস অনলাইনঃ
Published: 2017-10-05 00:56:03 BdST | Updated: 2018-01-17 07:19:12 BdST

বিজ্ঞাপন-নাটকের জনপ্রিয় মুখ সিয়াম আহমেদ। ছোটপর্দায় তার নানামাত্রিক উপস্থিতি দর্শকরা সাদরে গ্রহণ করেছে। ‘ভালোবাসা ১০১’, ‘ফ্রেন্ডস লাভ অ্যান্ড সামথিং মোর’, ‘নাইন অ্যান্ড অ্যা হাফ’ ছাড়াও বেশ কিছু কাজের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা পেলেও মাঝে কিছুটা বিরতি আসে। সম্প্রতি পোড়ামণ -২ ছবির নায়ক হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে তার নাম।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স শেষ করতে না পারলেও তিনি তার ফেসবুক লিখে রেখেছেন "স্টাডিড অ্যাট ঢাকা ইউনিভার্সিটি"। যা থেকে বুঝা যায়, তিনি ঢাবি থেকে অনার্স অথবা মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন। আসলে তিনি অনার্স বা মাস্টার্স ঢাবি থেকে সম্পন্ন করতে পারেন নি। 

সম্প্রতি সিয়ামকে নিয়ে বাজি ধরেন ঢাবির প্রথম বর্ষের দুই গ্রুপ শিক্ষার্থী। এক গ্রুপের দাবি সিয়াম ঢাবিতে পড়েছেন, অন্য গ্রুপের দাবি, না তিনি না পড়েই ফেসবুকে লিখে রেখেছেন। এমন বিতর্কের অবসান ঘটাতে শিক্ষার্থীরা অনলাইনে খুঁজে পান তার বক্তব্য। তখনই বের হয়ে আসে সিয়াম আসলে ঢাবিতে ভতি হয়েছিলেন; তবে অনার্স শেষ করতে পারেননি। 

এ বিষয়ে সিয়াম বলেন, ‘আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যবসা শিক্ষা অনুষদে ভর্তি হয়ে দেড় বছর লেখাপড়া করেছি আবার আইন পেশায়ও পড়েছি। একসঙ্গে কন্টিনিউ করা সম্ভব হচ্ছিল না। কারণ খুব চাপ ছিল। তারপর নিজের ভালো লাগা থেকে আইনেই পড়ালেখা করি।’

তবে জানা গেছে, তিনি একাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন। ক্লাসে ছিলেন একদম অনিয়মিত। আর ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ থেকে অনিয়মিত ছাত্র হয়ে অনার্স সম্পন্ন করা সম্ভবনা, বলছেন বর্তমান শিক্ষার্থীরা। 

 

তবে সিমায় একজন মেধাবী ছাত্র। ব্যারিস্টারি পড়তে লন্ডনে গিয়েছিলেন তিন। গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর উচ্চশিক্ষার জন্য পাড়ি দিয়েছিলেন তিনি। তারপর প্রায় এক বছর যুক্তরাজ্যে নর্থাম্ব্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে ব্যারিস্টার ডিগ্রির জন্য লেখাপড়া করেন। কোর্স শেষ করে দেশে ফেরেন চলতি বছরের ১ সেপ্টেম্বর। অপেক্ষায় ছিলেন ফলাফলের জন্য।

অবশেষে রোববার (৭ নভেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ সিয়াম ব্যারিস্টার হতে পেরেছেন- এই সুখবরটি জানতে পারেন। তারপর আনন্দে আটখানা হয়ে পড়েন তিনি!

তিনি বলেন, ‘খবরটা জেনেই আমি দু’রাকাত নফল নামাজ আদায় করি। তারপর টানা একটা বছর দিন-রাত ১২ ঘণ্টা করে টেবিলে বসে পড়ালেখা আর ব্যারিস্টার হওয়ার জন্য যে পরিমাণ কষ্ট করেছি -সেটা কিছুক্ষণের জন্য চোখের সামনে ভেসে উঠল। খুবই আবেগপ্রবণ হয়ে গিয়েছিলাম।’

সিয়াম আরও বলেন, ‘বাবা-মাকে যখন জানাই আমি ব্যারিস্টার হতে পেরেছি, তারা আনন্দে কেঁদে ফেললেন। আসলে এমন সাফল্যের অপেক্ষায় ছিলাম। আজ আমি সাকসেসফুল। আমার জন্য সবাই দোয়া করেছেন, এজন্য আমি কৃতজ্ঞ।’

তথ্য ও সিয়ামের বক্তব্য জাগোনিউজের সংবাদ থেকে নেয়া

শিরোনাম সম্পাদিত 

এমএসএল/ ০৫ অক্টোবর ২০১৭

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।