ভালবাসা দিবসে আসছে ‘সাইন্সের মেয়ে, আর্টসের ছেলে’


টাইমস অনলাইনঃ
Published: 2018-02-11 21:45:39 BdST | Updated: 2018-08-20 05:44:05 BdST

১৪ই ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালবাসা দিবস উপলক্ষে এটিএন বাংলায় রাত ১১টায় প্রচার হবে বিশেষ টেলিফিল্ম ‘সাইন্সের মেয়ে আর্টসের ছেলে’। সৈয়দ জিয়া উদ্দিন এর রচনায় টেলিফিল্মটি পরিচালনা করেছেন হাবিব শাকিল। টেলিফিল্মটিতে অভিনয় করেছেন আফরান নিশো, মেহজাবিন চৌধুরী, জনি সহ আরো অনেকে। টেলিফিল্মটি মূলত সাইন্সের ছাত্রী এবং আর্টসের ছাত্রের দুষ্টু মিষ্টি ভালোবাসার গল্প নিয়ে তৈরি। তবে টেলিফিল্মটিতে লেখাপড়া নিয়ে তরুন তরুণী ও তাদের বাবা মায়ের ভাবনা, ক্যারিয়ার ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তাও ইত্যাদিও তুলে ধরা হয়েছে।

সমসাময়িক এই গল্পের ঘটনাস্থান ঢাকা হলেও পুরো দেশের তরুনতরুনী এবং অভিভাবকরা গল্পের সাথে সম্পৃক্ত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র অংশু আর বুয়েটের ছাত্রি লামিয়া দুজনি রুশনার প্রাইভেট টিউটর। রুশনা ইন্টারমিডিয়াটের ছাত্রী। ফাকিবাজ আর আদুরে। অংশু ইংরেজি আর লামিয়া তাকে সায়েন্সের সাব্জেক্ট পড়ায়। প্রতিদিন লামিয়ার পড়ানো শেষ হলে অংশু পড়াতে আসে। দু একদিন এই দুজনের দেখা আর টুকটাক কথা হয়েছে। লামিয়া একদম সাজগোজ পছন্দ করেনা। সে বেশ স্ট্রিক্ট, ক্যারিয়ারিস্ট আর খুব কম কথা বলে। আর্টসের ছাত্র অংশুর মনে হয় যে লামিয়া তাকে খুব একটা পাত্তা দেয়না। আবার লামিয়ার বেতনও বেশী। এগুলো অংশুকে হিট করে। অংশু নিজেও ইন্টারমিডিয়টে পর্যন্ত সায়েন্সেরই ভাল ছাত্র ছিল। কিন্তু ইংরেজী সাহিত্যে পড়ার ইচ্ছা থেকেই ইংরেজী ডিপার্টমেন্টে পড়ছে। লামিয়ার চেয়ে অংশুর সাথেই বেশি ফ্রি ছাত্রী রুশনা।

একদিন একটা বিষয় লামিয়া তাকে ভাল বোঝাতে পারেনি। বিষয়টি রুশনা লামিয়াকে না বলে ইংরেজি টিচার অংশুকে জানায় এবং অংশু সাইন্সের বিষয়টি তাকে সহজেই বুঝিয়ে দেয়। বিষয়টি পরে লামিয়া জানতে পারে এবং এ নিয়ে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। লামিয়ার কুটলামিতে একদিন রুশনার বাবা-মা অংশুকে হাউজ টিউটর হতে বিদায় করে দেয়। একমাত্র টিউশন হারিয়ে অংশু বেশ অর্থকষ্টে পরে। এদিকে ছাত্রী রুশনার পছন্দ একজন আর্মি অফিসার বিয়ে করে জীবনটা কাটিয়ে দেবে। সে তার লেখাপড়ার প্রতি আস্তে আস্তে মনযোগ কমিয়ে দেয় এবং রেজাল্ট খারাপ করতে থাকে।

কিন্তুু টিচার লামিয়ার ইচ্ছা ছাত্রী নিজেই যোগ্যতা অর্জন করে ভালো ক্যারিয়ার গড়বে। নিজের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে একদিন লামিয়া অংশুকে ফোন করে অনুরোধ করে যে সে যেন রুশনাকে এসে একটু বোঝায় যাতে সে বিয়ের প্রতি আগ্রহী না হয়ে লেখাপড়ায় মনযোগী হয়ে ক্যারিয়ার গড়তে সচেষ্ট হয়। অংশু আসে এবং রুশনাকে বোঝায়। রুশনা অংশুর কথা মানে এবং লেখাপড়ায় মনযোগী হয়ে একদিন ডিফেন্সের পরীক্ষা দেয় এবং প্রাথমিক স্টেজে পাশও করে। এতে করে লামিয়া খুব খুশি হয় অংশুর প্রতি। অংশুকে সে একটু একটু মিস করতে থাকে। এদিকে লামিয়াকে অংশু পছন্দ করলেও সে জানতো যে লামিয়ার সাথে বুয়েটেরই এক বড় ভাইয়ের পারিবারিকভাবে বিয়ে ঠিক করে রাখা হয়েছে। কিন্তু মনের কথা জানাতে একদিন অংশু সাহস করে চলে যায় লামিয়ার বাড়ি। অংশু তাকে সরাসরি নিজের মনের কথা বলে। অংশুর এরকম অকপট কথা খুব পছন্দ হয় লামিয়ার এভাবেই এগিয়ে যায় টেলিফিল্মের গল্প...।

বিডিবিএস 

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।