দক্ষিণ কোরিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা: দেশ জুড়ে শুনশান নীরবতা


বিদেশ টাইমস
Published: 2018-11-17 19:29:23 BdST | Updated: 2018-12-12 03:31:24 BdST

 

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব কথা জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যম বিবিসি।

এতে বলা হয়, প্রায় পাঁচ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। এর ওপর নির্ভর করছে তাদের বাকি জীবন।

কারণ এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া মানে শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া নয়, বরং এটা চাকরি, আয় এবং ভবিষ্যতে কোথায় তাদের অবস্থান হবে তাও নিশ্চিত করে দেবে। প্রতি বছরের নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হয় সুনেউং, যা সারাদেশকে একরকম অচল করে দেয়।

এদিন দেশটির রাজধানী সিউল যেন নীরব হয়ে যায়। রাজধানীর দোকান ও ব্যাংকগুলো বন্ধ হয়ে যায়। স্টক মার্কেটও দেরিতে খোলে। বেশির ভাগ নির্মাণ কাজ এবং সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ কর্মসূচি থেমে যায়। এমনকি আকাশে উড়তে দেখা যায় না কোনও প্লেন।

 

মাঝেমাঝে দূরের সাইরেনের শব্দ এই নীরবতা ভাঙে। কারণ, পুলিশের মোটরবাইকগুলোও পরীক্ষার্থীদেরকে হলে পৌঁছে দিতে প্রতিযোগিতায় নামে। অনেক বাবা-মা সন্তানের ছবি হাতে নিয়ে স্থানীয় বৌদ্ধ মন্দির এবং খ্রিস্টান চার্চে তাদের জন্য প্রার্থনা করে।

 

আনুষ্ঠানিকভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার একমাস পর পরীক্ষার্থীদের স্কোর জাতীয় ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। তবে অবৈধভাবে বিভিন্ন ওয়েবসাইট পরীক্ষার পরপরই উত্তর প্রকাশ করে। পরীক্ষার্থীরা এগুলো থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে তাদের অবস্থান বুঝতে পারে।

 

উল্লেখ্য, বিশ্বে সবচেয়ে উচ্চ-শিক্ষিত দেশগুলোর একটি হলো দক্ষিণ কোরিয়া। দেশটির বেকার জনগোষ্ঠীর এক তৃতীয়াংশই বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রিধারী।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।