যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়

ছাত্ররা নিগ্রহ করলেও তাদের নামে অভিযোগ দিবেনা উপাচার্য


টাইমস অনলাইনঃ
Published: 2019-02-23 00:33:18 BdST | Updated: 2019-05-20 11:46:05 BdST

মর্মাহত’ উপাচার্য হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরলেন। দু’দল ছাত্রের হাতাহাতির মধ্যে পড়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সুরঞ্জন দাস। তবে পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে নানা মহলের চাপের মুখেও কোনও ব্যবস্থা বা অভিযোগ জানাবেন না বলে আরও একবার সাফ জানিয়ে দিলেন তিনি। যদিও পড়ুয়াদের ব্যবহারে তিনি যে অপমানিত বোধ করেছেন, হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পথে তা জানালেন। পাল্টা পড়ুয়ারা উপাচার্যের দ্রুত আরোগ্য কামনা করে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রাখলেন।

দু’দিন হাসপাতালে ভর্তি থাকার পরে বৃহস্পতিবার দক্ষিণ কলকাতার বেসরকারি হাসপাতাল থেকে ছুটি পান সুরঞ্জন। বেরোনোর পরে তিনি বলেন, ‘ওরা আমার ছাত্র। আর সকলেই জেনে রাখুন, আমার কাছে ছাত্রছাত্রীরা সবার আগে। পুলিশে অভিযোগ বা ব্যবস্থা গ্রহণের কথা ভাবছি না।’ হাসপাতালে উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করে হেনস্থায় অভিযুক্ত ছাত্রছাত্রীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়ে যান শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সেই নির্দেশের পরেও সুরঞ্জনের অবস্থানে অনড় থাকাকে ‘সাহসী পদক্ষেপ’ বলেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেকে মনে করছেন।

পড়ুয়াদের অবশ্য উপাচার্য বলেন, ‘ওরা যেন বোঝে, আমাকে আমার আইনি পরিধির মধ্যে থেকে কাজ করতে হয়। ছাত্র সংসদ নির্বাচনের এক্তিয়ার আমার নয়। অভিযোগ জানানোর কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু আমি জানাব না। তবে ওদের ব্যবহার আমাকে মর্মাহত করেছে।’ কবে কাজে যোগ দেবেন তা অবশ্য পরিষ্কার করেননি উপাচার্য। ডাক্তারি ছাড়পত্র পেলেই তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন।

ছাত্রছাত্রীরা অবশ্য ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে অবস্থান চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ দিন অরবিন্দ ভবনে অবস্থান বিক্ষোভের মধ্যেই ভাষা দিবসের অনুষ্ঠান করেন পড়ুয়ারা। ছাত্রছাত্রীদের তরফে ফ্যাসের নেতা শ্রমণ গুহ বলেন, ‘মর্মাহত হলে ৯৭ শতাংশ পড়ুয়ার মতামতে গুরুত্ব দিন। সে দিন যদি পড়ুয়াদের সঙ্গে দেখা করে কথা বলতেন উপাচার্য, তাহলে তৃণমূলের হামলার মুখে পড়তে হত না। আমরা অবস্থান চালিয়ে যাব।’

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।