নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের আহত শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা করল পুলিশ


Delhi, India
Published: 2020-01-08 02:45:10 BdST | Updated: 2020-08-13 12:25:09 BdST

জহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় বামপন্থী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছে হিন্দু রক্ষা দলের সমর্থকদের সাথে এতে আহত হয়েছিলেন অবশ্য অনেকে।

মুখোশ পড়ে হামলায় অভিযুক্তদের কেউ গ্রেফতার না হলেও আহত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা করল দিল্লি পুলিশ। মামলায় নাম রয়েছে জহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের সভাপতির ঐশী ঘোষসহ ১৯ জনের। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি।

এতে নিন্দা প্রকাশ করেছেন দেশটির বিশিষ্টজনেরা।

এদিকে জহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলার প্রতিবাদ সমাবেশে যোগ দিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাডুকোন।

এদিকে আহতদের মাথায় রংমাখা ছিল বলে দাবি করেছেন পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

এদিকে, পুলিশ কর্তারা পড়ুয়াদের কাছে লাঠি চালানোর জন্য দুঃখপ্রকাশ করলেন। শিক্ষামন্ত্রী পুলিশকে ছাত্র আন্দোলন সামলানোর ক্ষেত্রে আরও সংযত হওয়ারও পরামর্শ দিলেন। কিন্তু তার পরেও সোমবারের ঘটনায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করল কলকাতা পুলিশ। সেই এফআইআরে স্পষ্ট উল্লেখ করা হল, পড়ুয়ারা পুলিশকে মারধর করেছে। ডিসি (দক্ষিণ শহরতলি) সুদীপ সরকার নিজেও মার খেয়েছেন পড়ুয়াদের হাতে। গোটা ঘটনার সঙ্গে অনেকে মিল খুঁজে পাচ্ছেন জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের সভানেত্রী ঐশী ঘোষের। সেখানেও মার খাওয়ার পর ঐশীর বিরুদ্ধেও এফআইআর দায়ের করেছে দিল্লি পুলিশ।

সোমবার যাদবপুরের পড়ুয়াদের মিছিলে পুলিশ লাঠি চালিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠায় উষ্মা প্রকাশ করেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লালবাজার সূত্রে খবর, গঙ্গাসাগর থেকে তিনি ফোন করেন পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মাকে। মুখ্যমন্ত্রীর ফোন পেয়েই পরিস্থিতি সামাল দিতে নেমে পড়েন পুলিশ কর্তারা। পড়ুয়াদের জানানো হয়, গোটা ঘটনাটিই অনিচ্ছাকৃত এবং প্রয়োজনে পুলিশ যে ক্ষমা চাইতেও প্রস্তুত, সেই বার্তাও দেওয়া হয় পড়ুয়াদের। রাজ্যের এক মন্ত্রী যাদবপুর পৌঁছন পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে কথা বলতে। কারণ জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা নিয়ে যেখানে মুখ্যমন্ত্রীর রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট, সেখানে ওই মিছিলে পুলিশের লাঠি তাঁর রাজনৈতিক অস্বস্তির কারণ হতে পারে।