পরীক্ষায় বসতে পারলনা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৫০ শিক্ষার্থী


টাইমস অনলাইনঃ
Published: 2018-03-06 08:17:00 BdST | Updated: 2018-09-25 08:13:44 BdST

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক পার্ট-১ পরীক্ষা আজ, মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে। অথচ রেজিস্ট্রেশন না-পাওয়া অতিরিক্ত পড়ুয়ারা আদৌ পরীক্ষায় বসতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সোমবার দিনভর টানাপড়েন চলে। শেষে বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়ে দেয়, ওই পড়ুয়ারা পরীক্ষায় বসতে পারবেন না।

সংশ্লিষ্ট কলেজগুলি চান, ওই পড়ুয়ারাও যেন পরীক্ষা দিতে পারেন। কারণ, কলেজ-কর্তৃপক্ষকেই বারবার বিক্ষোভের মুখে পড়তে হচ্ছে।

বেশ কিছু কলেজে প্রায় ৩৫০ জন অতিরিক্ত পড়ুয়া ভর্তি হয়েছিলেন। তাঁদের রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হবে না বলে সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট। নিয়ম অনুযায়ী তাঁদের কেউ পরীক্ষায় বসতে পারেন না। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়। কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন বড়িশার বিবেকানন্দ কলেজ ফর উইমেনের অধ্যক্ষা সোমা ভট্টাচার্য। আদালত জানায়, এ বছরের ২১৮ জন ছাত্রীকেই পরীক্ষায় বসতে দিতে হবে। সোমবার অ্যাডমিট কার্ডও দেয় বিশ্ববিদ্যালয়। তার পরেই গুঞ্জন শুরু হয়, তা হলে কি সব কলেজেরই অতিরিক্ত পড়ুয়াদের পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হবে? শুরু হয় টানাপড়েন।

টাকার নিয়ে বহু কলেজে বাড়তি পড়ুয়া ভর্তি করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। সিন্ডিকেট সিদ্ধান্ত নেয়, কোনও বাড়তি পড়ুয়াকে রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের খবর, এই তালিকায় আনন্দমোহন, বজবজ, ভাঙড়, রামমোহন, শিবনাথ শাস্ত্রী, বিদ্যাসাগর, বঙ্গবাসী (দিবা), হুগলির ধ্রুবচাঁদ হালদার, শ্রীরামপুর গার্লস ছাড়াও রয়েছে আরও কিছু কলেজ।

হাইকোর্ট বিবেকানন্দ কলেজের ছাত্রীদের পরীক্ষায় অনুমতি দেওয়ার পরেই এ দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ স্ট্রিট ক্যাম্পাসে যান আনন্দমোহন কলেজের অধ্যক্ষ প্রদীপ মাইতি। সব থেকে বেশি অতিরিক্ত (১১০ জন) পড়ুয়া ভর্তি হয়েছেন ওখানেই। ওই কলেজ সূত্রের খবর, পরীক্ষা নিয়ামকের দফতর থেকে জানানো হয়েছে, সব পড়ুয়াই পরীক্ষায় বসার অনুমতি পাবেন। কিন্তু বাড়তি প্রশ্নপত্র দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে সেগুলি জেরক্স করে পরীক্ষার্থীদের দেওয়া যেতে পারে। যদিও সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) দীপক কর বলেন, ‘‘যে-সব পড়ুয়ার রেজিস্ট্রেশন হয়নি, তাঁদের পরীক্ষায় বসার অনুমতি দেবে না বিশ্ববিদ্যালয়। অ্যাডমিট কার্ডও দেবে না।’’ এই অবস্থায় বাড়তি পড়ুয়াদের ব্যাপারে তাঁরা কী ভাবছেন, তা জানতে অধ্যক্ষ প্রদীপবাবুকে বারবার ফোন করা হয়। তাঁকে পাওয়া যায়নি।----আনন্দবাজার

বিদিবিএস 

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।