ডাকসুর উদ্যোগে ঢাবির ১০ স্পটে ছাত্রীদের জন্য ভেন্ডিং মেশিনে ন্যাপকিন


ঢাবি টাইমস
Published: 2019-11-25 14:55:46 BdST | Updated: 2020-07-06 01:55:44 BdST

ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রলীগের প্যানেল থেকে ঘোষিত ইশতেহার বাস্তবায়নে কাজ করছে ডাকসুতে নির্বাচিত ছাত্রলীগের মনোনীতরা। তারই প্রেক্ষিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলে ও বিভিন্ন অনুষদে বসানো হচ্ছে ভেন্ডিং মেশিন। যাতে ১০ টাকা মূল্যে পাওয়া যাবে প্রতিটি সেনিটারি ন্যাপকিন।

ডাকসু ও সিনেট সদস্য তিলোত্তমা শিকদারের সমন্বয়ে এবং এসিআইয়ের সহযোগিতায় এসব ভেন্ডিং মেশিন বসানো হচ্ছে। যা নারী শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস।

এসিআইয়ের সহযোগিতায় ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেন্ডিং মেশিনগুলো স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে।অতিশীঘ্রই ডাকসু অনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করতে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভেন্ডিং মেশিনের কার্যক্রম।

ডাকসু সদস্য তিলোত্তমা শিকদার বলেন, আমরা ইশতেহারে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম ছাত্রী বোনদের জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিনের ব্যবস্থা করব। তার পরিপেক্ষিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের সুবিধার ভিত্তিতে নির্ধারিত ১০ টি স্পটে ACI এবং ডাকসুর সহযোগীতায় উদ্বোধন হতে যাচ্ছে সেই কাঙ্ক্ষিত ভেন্ডিং মেশিন।

জানা যায়, ভেন্ডিং মেশিন থেকে যেকোনো সময় ছাত্রীরা ১০ টাকার নোট দিয়ে স্যানিটারি ন্যাপকিন সংগ্রহ করতে পারবে। ২০০১ সালের পর থেকে প্রচলিত যেকোন দশ টাকার নোট দিলেই একটি ন্যাপকিন বেড়িয়ে আসবে। যার বাজার মূল্য প্রায় ১৪ টাকা। দাম বৃদ্ধি পেলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েরা দশ টাকাই এই সেবাটি পাবে।মেশিনের পাশেই দুটো ডিসপোজাল বিন এবং দুটো তোয়ালে দেওয়া থাকবে। প্রতিটি ভেন্ডিং মেশিনের কাছে একমাস একজন মেয়ে থাকবেন যিনি ক্রয় করা এবং যেকোনো সমস্যার সমাধান করবেন।

এ ভেন্ডিং মেশিন বসানোর ফলে নারী শিক্ষার্থীদের অর্থব্যয় অনেকটা কমে আসবে এবং স্বাস্থ্য সতর্ক থাকতে পারবেন শিক্ষার্থীরা।

ডাকসুর এজিএস সাদ্দাম হোসেন বলেন, শুধু স্যানিটারি ন্যাপকিনের ভেন্ডিং মেশিনের ব্যবস্থা নয়, আমরা চাই লিঙ্গবৈষ্যমের প্রত্যেকটি চিহ্ন দুমড়েমুচড়ে ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন করে দিতে। নারী-পুরুষ পরিচয়ের ঊর্ধে মানুষ হিসেবে সবাই বাঁচতে শিখুক, স্বাধীন জীবন যাপন করুক, তথাকথিত সামাজিক বিধিনিষেধ আর নীতি পুলিশির শৃঙ্খল ভেঙে ফেলুক- এটিই আমাদের চাওয়া।

তিনি বলেন, মেয়েদের হলে ক্যাম্পেইন চালানোর সময় আমরা বলতাম, আজকে ৭ জন মেয়ের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে আমরা বলছি, আমাদেরকে ভোট দিন; আমরা এমন দিন চাই যেদিন ভিপি, জিএস, এজিএসসহ বেশিরভাগ পদে মেয়েরা নির্বাচন করবে এবং ছেলেদের হলে গিয়ে বলবে আমরা আমাদের প্যানেলে ৭ জন ছেলেকে মনোনয়ন দিয়েছি, আমাদেরকে ভোট দিন।