বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উজ্জল করতে চান শয়ন


ঢাবি টাইমস
Published: 2019-03-11 00:46:38 BdST | Updated: 2019-05-26 02:34:39 BdST

আর মাত্র কয়েক ঘন্টা পর শুরু হবে ডাকসু নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। এই নির্বাচনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সমর্থিত সম্মিলিত শিক্ষার্থী সংসদের প্যানেল থেকে সাহিত্য সম্পাদক পদে নির্বাচন করছেন ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল কবির শয়ন।

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য ছিলেন। সূর্যসেন বিতর্কধারার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র। নৃবিজ্ঞান ডিবেটিং ক্লাবের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কাজ করা সংগঠন ‘বিজয় নিশান’ এর সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও টিএসসি ভিত্তিক আরেকটি সংগঠন ‘স্লোগান ৭১’ এর কার্যনির্বাহী সদস্যও ছিলেন তিনি।

ছোটবেলা থেকেই সাংগঠনিক কাজে সক্রিয় ছিলেন তিনি। পড়েছেন কুমিল্লা জিলা স্কুলে। ২০০১ সালে মাত্র ৯ বছর বয়সে সহপাঠীদের নিয়ে নিজ উদ্যোগে ‘আনন্দ পাঠাগার’ নামে পাঠাগার গড়ে তোলেন। ২০০৪ সালে মাত্র ১২ বছর বয়সে এলাকার কিশোরদের নিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন ‘শিশু-কিশোর পাঠাগার’। ছোটবেলায় এলাকার উন্নয়নে বিভিন্ন কাজ করেছেন। স্কুল জীবন থেকেই বাংলাদেশ ছাত্রলীগের হয়ে ছাত্র রাজনীতিতে প্রচণ্ড সক্রিয় থাকার পাশাপাশি করেছেন বিতর্ক।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর থেকেই তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের মধ্যে তিনিই প্রথম ‘জেনোসাইড ডিনায়াল ল’ এর বিরুদ্ধে বাংলায় লিখালিখি শুরু করেন। শাহবাগ আন্দোলনে প্রথম দিনের মিছিলে অংশ নেন তিনি। পুরো আন্দোলন জুড়েই ছিলো তার পদচারণা।

বিভিন্ন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সাংগঠনিক কাজেও তিনি সক্রিয় ছিলেন। দায়িত্বে থাকা অবস্থায় তিনি আয়োজন করেন ‘ঢাকা উৎসব’ সহ আরও অনেক জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা। তার সময়েই এক বছরে রেকর্ড সংখ্যক চ্যাম্পিয়ন ট্রফি অর্জন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতর্ক দল। তিনি নিজেও ছিলেন একজন তুখড় বিতার্কিক। বিভিন্ন জাতীয় প্রতিযোগীতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পাশাপাশি ইন্দোনেশিয়াইয় অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক বিতর্ক প্রতিযোগীতাতেও সফলতা পেয়েছেন তিনি।

ফেসবুকে তার নির্বাচনী ইশতেহার নিয়ে একটি ভিডিও দেখা যায়। এই ভিডিওতে তিনি তার বেশ কয়েকটি ইশতেহার নিয়ে কথা বলেন। এই ভিডিওটি বেশ আলোচিত হয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে। এই ভিডিওটিতে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে সাহিত্য ও সংস্কৃতির মুক্তাঞ্চল হিসেবে দেখতে পাওয়ার ইচ্ছে পোষণ করেন। এছাড়াও তিনি যেসকল শিক্ষার্থী চলচ্চিত্র নির্মাণে কাজ করে তাদের প্রণোদনা দেয়া, সাহিত্য-মঞ্চ তৈরী, ডিজিটাল সাহিত্য আর্কাইভ, সাহিত্য সম্মেলন আয়োজন, বিভিন্ন কর্মশালা আয়োজন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতর্ককে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নিতকরণ করা, ডাকসু সাহিত্য পুরষ্কার প্রচলন এবং ডাকসু সাহিত্য সপ্তাহ আয়োজনের ইচ্ছাও ব্যক্ত করেন।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।