যেসব কারনে জিএস পদে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে গোলাম রাব্বানী


ঢাবি টাইমস
Published: 2019-03-09 01:53:20 BdST | Updated: 2019-07-17 19:29:55 BdST

ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা পুনরায় নেওয়ার দাবিতে আন্দোলনরত আমরন অনশনে বসা আইন বিভাগের শিক্ষার্থীর সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে রাজু ভাস্কর্যে গিয়ে বসেছিলেন গোলাম রাব্বানী ভাই। তাৎক্ষণিকভাবে ফোনে প্রোক্টর স্যার ও ভিসি স্যারের সাথে কথা বলেন। পরবর্তীতে প্রশাসনের কাছে ছাত্রলীগের জোর দাবির প্রেক্ষিতেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পুনরায় ভর্তি পরীক্ষা নিতে বাধ্য হয়।

২০১৭-১৮ সেশনে একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়া হামিদা খাতুনের কথা মনে আছে? টাকার অভাবে যার ভর্তি আটকে গিয়েছিল। সেদিন ভর্তির ব্যয়ভারসহ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার যাবতীয় খরচের ব্যবস্থা করেন। যেখানে সহায়তা করেছিলেন ডুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ইঞ্জিনিয়ার শাকিল খান।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে দুটি ইউনিটের একটিতে ২২ তম, আরেকটি ইউনিটে ১৮২ তম হওয়া আনাস আহমেদের কথা নিশ্চয়ই মনে নেই। ভর্তি ফি দেওয়ার মত সাধ্য ছিলনা পরিবারের। জোবায়দুল হক রাসেল ভাইয়ের মাধ্যমে সহযোগিতা করে ভর্তির ব্যবস্থা করে দেন গোলাম রাব্বানী ভাই।

লালমনিরহাটের হাতিবান্ধার দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থী দীপকের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির টাকা ছিলোনা। তার ভর্তির ব্যবস্থাকল্পে সহযোগিতা করেন।

পুলিশের টিয়ারসেলে চোখ হারানো তিতুমীর কলেজের ছাত্র সিদ্দিকুর এর পক্ষে সর্বপ্রথম প্রতিবাদ করেছিলন তিনি। ডিএমপির কাছে ক্ষতিপূরণ ও চিকিৎসা খরচ বহনের দাবী করে তা আদায় করে দেন।

ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার ডাঙ্গীগ্রামের ৯৮ বছর বয়সী তাসলেমা খাতুনের কথা মনে আছে? খেতে চাওয়ায় ছেলে ও ছেলের বউয়ের আঘাতে রক্তাক্ত হওয়ার তিনি নিজ থেকে খোঁজ-খবর নিয়ে তার চিকিৎসা করান। বিকাশ একাউন্টের মাধ্যমে প্রতিমাসে বৃদ্ধা মায়ের জন্য টাকাও পাঠাতেন।

চাপাইনবাবগঞ্জ উপজেলার গোমস্তাপুর উপজেলার বিরল রোগে আক্রান্ত শাকিবার চিকিৎসার ব্যয়ভার গ্রহণ করেন।

২০১৭ সালে খুলনার পাইকগাছা উপজেলার নবম শ্রেণীর দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থী নওশীন আক্তার তিশা ব্লাড ক্যান্সারে (লিউকেমিয়া) আক্রান্ত হওয়ার খবর শোনে তাকে সাহায্যের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

৮ নভেম্বর, ২০১৭ সাতক্ষীরা সদরের গদাইবিল এলাকার আতিয়ার রহমান। চলাফেরা করতে পারতেন না। ভিক্ষাবৃত্তি করতেন হাতে পিড়ি বসিয়ে। তার জন্য হুইলচেয়ার কিনে পাঠিয়েছিলেন গোলাম রাব্বানী ভাই।

দৃষ্টি প্রতিবন্ধী রহমান ভাই। বাংলামোটরে চা, পান, সিগারেট বিক্রি করতেন। তাকে পলাশী বাজারে ছোট স্থায়ী দোকান করে দিয়েছিলেন।

দূর্ঘটনায় পা হারানো ছাতকের মোঃ মছরম আলীর চিকিৎসার দায়িত্ব, জোবায়দুল হক রাসেল ভাই ও সিলেট মহানগর আওয়ামিলীগ এর সভাপতি বদরুদ্দীন কামরান ভাইয়ের মাধ্যমে নিয়েছিলেন।

২০১৬ সালে ভালবাসা দিবসে হান্নান নামে এক প্রতিবন্ধী ভাইকে ছাত্রলীগ এর পক্ষ থেকে রিক্সা উপহার দিয়েছিলেন।

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত রিক্সাচালক জাহিদুল ইসলামের চিকিৎসার খরচ সহ ৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করে দেন এবং জাহিদুলের সন্তানদের লেখাপড়ার সকল দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

গত পরশু ডঃ মুঃ শহীদুল্লাহ হলের রিডিং রুমে শিক্ষার্থীদের খোজ নিতে গিয়ে কম্পিউটার ল্যাব এর দাবির কথা শোনে তাৎক্ষণিকভাবে মাননীয় আইসিটি মন্ত্রীকে ফোনে জানান এবং কম্পিউটার ল্যাব এর প্রতিশ্রুতি আদায় করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ পুরো বাংলাদেশে শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে যেকোন শ্রেনি পেশার মানুষ কোনো প্রয়োজনে রাব্বানী ভাই এর কাছে সাহায্য চেয়ে পায়নি এমন উদাহরণ কেউ দেখাতে পারবেনা। যেকোন নৈতিক ও যৌক্তিক দাবির পক্ষে সর্বদা থেকেছেন তিনি।

এমন কাউকেই ভোট দিন, যিনি নৈতিক ও যৌক্তিক দাবির পক্ষে থাকবেন। দাবি আদায়ে যিনি বদ্ধ পরিকর এবং সেখানে চুল পরিমাণ ছাড়ও যিনি দিবেন না।

লেখকঃ 

মাহমুদ আবদুল্লাহ বিন মুন্সি

সাবেক সভাপতি, ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি

সাবেক স্কুল ও ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু হল ছাত্রলীগ

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।