ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মান ইজ্জত থাকলো কই?


মোহাম্মদ ওয়াহিদ আনোয়ার
Published: 2017-10-20 18:36:04 BdST | Updated: 2018-05-25 22:56:45 BdST

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে এখনো বাংলাদেশের মোট জনগোষ্ঠীর বেশির ভাগ অংশ সমীহের চোখে দেখে। একজন ঢাবির ছাত্রকে আজও সারা বাংলাদেশে মেধাবী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু সেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন যদি ফাঁস হয়,তাহলে দেশের শিক্ষার স্ট্যান্ডার্ড প্রশ্নের মুখে পড়ে।

একটা ছেলে কেমন ছাত্র ছিল,ঢাবিতে চান্স পাওয়ার মত তার যোগ্যতা আছে কিনা সেটা তার আশপাশের মানুষগুলো ঠিকই জানে।তাই এলাকার একটা খারাপ ছাত্র,যাকে কেউ কখনো হিসেবে ধরে নাই,সেভাবে পড়াশোনা করতে দেখে নাই তাকে যখন মানুষ ঢাবিতে টপ সিরিয়ালে দেখে তখন কিন্তু সবাই ঠিকই কানাঘুষা করে।টাকা দিয়ে চান্স কিনে সবার ফিসফিসানিই সারাজীবন শুনতে হয়।নাম খারাপ হয় ঢাবির।

দ্বিতীয়ত,যারা এভাবে কোন সরকারি ভার্সিটিতে এ্যাডমিট হয়,তারাই পরবর্তীতে এই জালিয়াতি বিজনেসটা ধরে রাখে।কারণ,তারা জানে কার কাছে কি প্রসেসে গেলে কয়েকটা ক্যান্ডিডেটকে ঢুকিয়ে কিছু টাকা হাতানো যাবে। তবে এত জালিয়াতি করেও দিনশেষে কিন্তু কোন লাভ হয় না।গতবছর থেকে ভাইবায় আটকানোর ট্রেডিশন চালু হয়েছে।যারা ভাইবায় কিছু পারে না তাদের আলাদা এক্জাম নেয়া হয়েছে।ঢাবির অ্যাডমিশনের কিছু টপারকে(!) কিন্তু ঠিকই গতবার পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।

এবারও পুনঃপরীক্ষা নেয়া সম্ভব না হলে যাদের সিরিয়াল এসেছে আলাদা কমিটি গঠন করে সবার স্ট্রিক্টলি ভাইবা নেয়া হোক।তাহলেই বোঝা যাবে কে কিভাবে চান্স পেয়েছে। হয়তো সময় এবং কষ্ট সাপেক্ষ হবে।কিন্তু এরপরে রাস্তায় প্রশ্ন ফেলে রাখলেও কেউ নেবে না।কারণ ভাইবায় ধরা খাওয়ার ভয় থাকবে।

এমএসএল 

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।