‘কেদ্রীয় নেতৃবৃন্দ এক হও, প্রাণের ছাত্রলীগকে বাঁচাও’


আমিনুল ইসলাম
Published: 2018-05-13 19:49:06 BdST | Updated: 2018-10-23 14:37:26 BdST

ছাত্রলীগের নেতৃত্ব নির্বাচন নিয়ে যা শুরু হয়েছে তা কোনোভাবেই একজন আদর্শীক ছাত্রলীগকর্মী মেনে নিতে পারেনা। আজ এমন একটা অবস্থা বিরাজ করছে মনে হচ্ছে যেন দুটি ভিন্ন সংগঠনের মধ্যে প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে অথচ উভয়পক্ষেই ছাত্রলীগ। তাহলে মতের এতো অমিল কেন?

আমাদের বুঝতে বাকি থাকেনা এখানে দলের স্বার্থের চেয়ে ব্যাক্তিস্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। যদি দলের স্বার্থকেই প্রাধান্য দিত তাহলে অন্তত নির্বাচনের আগে কখনও এমন বিভক্তির খেলায় কেউ মেতে উঠতোনা। এই ছাত্রলীগকে বাঁচাতে না পারলে এদেশে স্বাধীনতার পক্ষশক্তিকে রক্ষা করা যাবেনা। তাই যেকোনো মূল্যে হোক এই ছাত্রলীগকে বাঁচাতে হবে তা নাহলে আমরা সবাই সমূলে ধ্বংস হয়ে যাবো।

ছাত্রলীগের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক কে হবে না হবে অথবা কারা যোগ্য বা অযোগ্য সেটা সবচেয়ে ভালো জানে ঐ সংসদের নেতৃবৃন্দ।

অথচ নেতা নির্বাচনের ক্ষেত্র তাদের মতামতের কোনও গুরুত্ব নেই যেন তারা নিরব দর্শক। আজ ছাত্রলীগের এই দু:সময়ে তাদের যেন কিছুই করার নেই অথচ সবচেয়ে বেশি ভুমিকা রাখার কথা ছিল তাদের। যেহেতু আমরা সবাই বুঝতে পারছি নেতৃত্ব নির্বাচন নিয়ে দলের মধ্যে মারাত্বক বিভেদ সৃষ্টি হয়ে যাচ্ছে তাই আমাদের আর চুপচাপ নীরব দর্শকের ভুমিকা পালন করা উচিত হবেনা।

আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে আমাদেরই এগিয়ে আসতে হবে তা না হলে দলের এই ক্ষতির জন্য আমরা সারাজীবন দায়ী থাকবো। তাই কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের নেতৃবৃন্দের প্রতি উদাত্ব আহ্বান করছি আপনারা আর চুপচাপ না থেকে ছাত্রলীগকে কিভাবে বাঁচানো যায় সেজন্য আওয়াজ তুলুন।

আসুন জননেত্রীর হাতকে শক্তিশালী করি তা না হলে আপনার-আমার মতো ছাত্রলীগ থাকার চেয়ে না থাকায় ভালো।এখন ভেবে দেখেন বসে বসে আঙ্গুল চুষবেন নাকি দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেবেন? কেদ্রীয় নেতৃবৃন্দ এক হও, প্রাণের ছাত্রলীগকে বাঁচাও।

লেখাটি ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদ্য সাবেক নেতা আমিনুল ইসলামের ফেসবুক টাইমলাইন থেকে নেয়া 

বিদিবিএস 

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।