শিক্ষার্থীদের মুক্তি দাবিতে প্রগতিশীল ছাত্রজোটের বিক্ষোভ


টাইমস অনলাইনঃ
Published: 2018-08-12 21:21:50 BdST | Updated: 2018-11-21 12:51:26 BdST

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ শিক্ষার্থীসহ ঢাকা ও চট্টগ্রামের আটক শিক্ষার্থীদের নিঃশর্ত মুক্তি, হামলাকারীদের বিচার, দমন-নির্যাতন বন্ধ এবং মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে প্রগতিশীল ছাত্রজোট।

রোববার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে এক বিক্ষোভ সমাবেশে জোট নেতৃবৃন্দ এ দাবি জানান।

সমাবেশে তারা বলেন, কিশোররা রাষ্ট্র মেরামতের যে স্লোগান তুলেছে সেই কাজ এখন সমাপ্ত হয়নি। ছাত্র তরুণদের হাত ধরেই রাষ্ট্রের সব ধরণের অব্যবস্থাপনা, নৈরাজ্য, দুর্নীতি, ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিপরীতে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার বৃহত্তর লড়াই গড়ে উঠবে।

সভাপতির বক্তব্যে প্রগতিশীল ছাত্রজোটের সমন্বয়ক ও ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি গোলাম মোস্তফা বলেন, রাজপথে ছাত্রদের অবস্থান দেখলে সরকার ভীত-আতঙ্কিত হয়ে পড়ে, সরকারের গদি নড়বড়ে হয়ে যায়। সরকার ‘অভিনয়’ করতে থাকে, মিথ্যাচার করতে থাকে। আন্দোলন দমন করার জন্য লাঠিয়াল-গুণ্ডা বাহিনী ও পুলিশবাহিনীকে লেলিয়ে দেয়।

তিনি আরো বলেন, হামলা-গ্রেফতার-রিমান্ড, দমন-নির্যাতন করলে আন্দোলন নিঃশেষ হয় না, ছাত্র-তরুণদের লড়াইয়ের প্রজ্বলিত শিখা আবার জ্বলে উঠবেই।

বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক দিলীপ রায়ের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি জিএম জিলানী শুভ, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি ইমরান হাবিব রুমন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন প্রিন্স, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ রানা, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক জাহিদ সুজন, ছাত্র ঐক্য ফোরামের কেন্দ্রীয় নেতা আর্নিকা তাসনিম মিতু প্রমুখ।

এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন থেকে এক বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।