৩০ নভেম্বরের মধ্যেই যুবলীগের সম্মেলন


Dhaka
Published: 2019-10-03 00:05:49 BdST | Updated: 2019-10-15 06:05:41 BdST

আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হবে যুবলীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলন। তবে সম্মেলনের তারিখ এখনও নির্ধারিত হয়নি। বুধবার রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ।

আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিলের আগেই সহযোগী সংগঠনগুলোর কাউন্সিল সম্পন্ন করতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। বুধবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ শেষে গণভবনের সামনে সাংবাদিকদের একথা বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। সাক্ষাতে চলমান শুদ্ধি অভিযান অব্যাহত রাখার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।

বেশ কয়েকদিন ধরে নেতিবাচক খবরের শিরোনামে যুবলীগ। গত ১৪ সেপ্টেম্বর দলের কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় ছাত্রলীগের অব্যাহতি পাওয়া সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর সঙ্গে তুলনা করে যুবলীগের কিছু নেতার সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এরা আরও খারাপ।’

এরপর অভিযানে নামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। প্রথমেই আটক করা হয় যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে। একই সময়ে তার পরিচালিত ইয়ংমেনস ক্লাবে চলে অভিযান। এরপর একে একে বেশ কয়েকজন যুবলীগ নেতার নেতৃত্বাধীন ক্যাসিনোয় অভিযান চালানো হয়। আটক হয়েছেন যুবলীগ সংশ্লিষ্ট কয়েকজন। আর পলাতক রয়েছেন উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নেতা। চলমান শুদ্ধি অভিযানে বিশেষভাবে আলোচিত হচ্ছে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের নাম। তার অবস্থান সম্পর্কে রয়েছে ধোঁয়াশা।

যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক কাজী আনিসুর রহমানও পলাতক। কীভাবে একজন পিয়ন থেকে যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক বনে গিয়ে বিত্ত বৈভবের মালিক হয়েছেন তিনি সেটি নিয়েও নেতিবাচক আলোচনা হচ্ছে। অভিযানের বিষয়ে প্রথমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোরভাবে শাসিয়ে বক্তব্য দেন যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি সুর বদলান।

সার্বিকভাবে বেশ অস্বস্তি তৈরি হয়েছে আওয়ামী লীগের এই সহযোগী সংগঠনটিকে ঘিরে। এই পরিস্থিতিতে যুবলীগের সম্মেলন অনিবার্য হয়ে পড়েছে বলে মনে করেন অনেকেই।