ব্যাংকের কোটি টাকার উৎস জানালেন ছাত্রলীগ নেতা নাজমুল


টাইমস প্রতিবেদক
Published: 2017-12-23 16:07:25 BdST | Updated: 2020-10-22 18:11:19 BdST

মুখ খুলেছেন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম। ব্যাখ্যা দিয়েছেন দ্য ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালক পদ নিয়ে তাকে ঘিরে প্রকাশিত সংবাদের।

এ বিষয়ে ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, আমি কোনো ব্যাংকের পরিচালক কিংবা উদ্যোক্তা কিছুই না। আমার এক অসহায় বন্ধুকে এক দানবের থাবানল থেকে রক্ষা করেছিলাম, সে পরিচালক হয়েছিল শুধু তার উপর যেন দানবের থাবা আর না পড়ে সেজন্য আমার নামে কিছু প্রাইমারি শেয়ার কিনেছিল। আমিও বোকার মতো রাজী হয়েছিলাম। সেই ব্যাংকে কোনো অ্যাকাউন্টও নেই কিংবা যাইনিও কখনো। আজ সারাদিন সামাজিক মাধ্যম গরম ছিল সিদ্দিকী নাজমুল আলমকে নিয়ে। বিতর্কিত নিউজ এটা আমার নিত্যদিনের সঙ্গী এবং আসিফ নজরুলের মতো পাপীও শেয়ার করেছে। এবং আমি নিশ্চিত কোনো রমনীকে সাথে নিয়ে মদ্যপানে উদযাপন করেছে আমার বিষয়টি, কারণ তার সাথে আমার হিসাবটা অনেক পুরোনো যেটা অনেকেই জানেন।

সিদ্দিকী নাজমুল আলমের ফেসবুক স্ট্যাটাস

 

আর যারা আত্মতৃপ্তির ঢেকুর গিলছেন তাদের বলি দৌঁড়াতে থাকেন হাপাতে হাপাতে, দেখবেন সিদ্দিকী নাজমুল আলম সাদা ফকফকা। কারণ সুযোগ থাকা সত্ত্বেও কোনো ভবন নিয়ন্ত্রণ কিংবা সরকারি কাজে দালালি কিংবা কমিশন খেয়ে কোনো মানুষের উপকার করার মতো ঘটনা আমার ডিকশনারিতে নেই। যেটা হরহামেশাই অনেকেই করেন। কত কিছু আমাকে বানালেন, শেষ আইটেম এইটা দেখি কতটুকু হিট হয়।

আর সংবাদপত্রে যে রিপোর্টার যে ভাষায় নিউজটি করছেন, সে হয়তো অনেক জমিদারের পূত্র। তবে আমি এখনও গর্ব করে বলি, আমি নিম্ন মধ্যবিত্ত ঘরের সন্তান। তবে আমার শখ পূরণ আমি করি। কারণ ছোটবেলা থেকেই আমার আত্মাকে আমি কখনোই কষ্ট দেই না।

লিখবো আরেক দিন হয়তো…

উল্লেখ্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগের ২০০৩-০৪ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র সিদ্দিকী নাজমুল আলম। ২০১১ সালের জুলাইয়ে ২৭তম কাউন্সিলের মধ্য দিয়ে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন তিনি।

এর এক বছর পরই তিনি ব্যাংক উদ্যোক্তা হন। ২০১৩ সালের শুরুর দিকে রাজনৈতিক বিবেচনায় অনুমোদন পাওয়া দ্য ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেডের ৩৯ ব্যক্তি উদ্যোক্তার একজন নাজমুল। প্রতিষ্ঠাকালেই ব্যাংকটির ১০ লাখ শেয়ারের মালিক নাজমুল আলম। প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা হিসাবে ফারমার্স ব্যাংকের মূলধনে তার জমা ১ কোটি টাকা। সম্প্রতি গণমাধ্যমে এমন সংবাদ প্রকাশিত হয়। তবে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্রের ৫ (গ) ধারায় বলা হয়েছে, বিবাহিত, ব্যবসায়ী ও চাকরিতে নিয়োজিত কোনো ছাত্র ও ছাত্রী ছাত্রলীগের নেতা হতে পারবেন না।

আইএম/ ২৩ ডিসেম্বর ২০১৭