কিউএস র‌্যাঙ্কিং: প্রাইভেটে সেরা নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়


Dhaka
Published: 2019-11-27 21:47:05 BdST | Updated: 2019-12-13 19:21:38 BdST

বুয়েটকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশে সেরা হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ২০২০ সালের জন্য এশিয়ার সর্বাধিক বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় র‌্যাঙ্কিং কিউএস এশিয়া ইউনিভার্সিটি র‌্যাঙ্কিংয়ে এই স্থান লাভ করেছে ঢাবি। এবার বাংলাদেশ থেকে ৭টি বিশ্ববিদ্যালয় র‌্যাঙ্কিংয়ে স্থান পেয়েছে। এরমধ্যে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ৪টি আর সরকারি ৩টি।

বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথমে রয়েছে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় (অবস্থান ২৯১-৩০০)। দ্বিতীয় স্থানে ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয় (অবস্থান ৩০১-৩৫০)। এরপরের অবস্থানে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (র‌্যাঙ্কিংয়ে অবস্থান ৩৫১-৪০০) এবং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (অবস্থান ৪০১-৪৫০)। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথমবারের কিউএস র‌্যাঙ্কিংয়ে প্রবেশ করেছে ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি,বাংলাদেশ।

মঙ্গলবার ওয়েবসাইটে কিউএস এশিয়া ইউনিভার্সিটি র‍্যাংকিং প্রকাশিত হয়েছে। এশিয়ার কয়েক হাজার বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথম ৫৫০ টির র‍্যাংকিং প্রকাশ করা হয়েছে।

এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় র‌্যাঙ্কিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ১৩৫তম। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অবস্থান ২০৭তম। এছাড়া প্রথমবারের মতো র‌্যাঙ্কিংয়ে স্থান পেয়েছে খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) ( র‌্যাঙ্কিংয়ে অবস্থান ৪৫১-৫০০) ।

আর বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথমে রয়েছে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় (অবস্থান ২৯১-৩০০)। দ্বিতীয় স্থানে ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয় (অবস্থান ৩০১-৩৫০)। এরপরের অবস্থানে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (র‌্যাঙ্কিংয়ে অবস্থান ৩৫১-৪০০) এবং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (অবস্থান ৪০১-৪৫০)। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথমবারের কিউএস র‌্যাঙ্কিংয়ে প্রবেশ করেছে ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি,বাংলাদেশ

কিউএস এশিয়া ইউনিভার্সিটি র‌্যাঙ্কিংয়ে প্রথম স্থান লাভ করেছে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুর। দ্বিতীয় ন্যানেং টেকনোলজি ইউনিভার্সিটি, সিঙ্গাপুর এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে দ্যা ইউনিভার্সিটি অব হংকং।

এই র‌্যাঙ্কিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয় সমূহের গবেষণা, উদ্ভাবন, সামাজিক প্রভাব, একাডেমিক খ্যাতি, চাকরিতে স্নাতকদের কর্মক্ষমতা, অনুষদ সদস্যদের দ্বারা গবেষণা প্রকাশনা, পিএইচডি ডিগ্রি এবং কর্মীদের সংখ্যা দেখে।