অনেক প্রশ্নের উত্তর নেই : রুম্পার প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে ধোঁয়াশা


Dhaka
Published: 2019-12-07 10:07:47 BdST | Updated: 2020-03-30 19:52:28 BdST

রুম্পার মৃত্যুর পর অনেক প্রশ্নের কোনো উত্তর খুঁজে পাচ্ছেন না মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তারা। তারা জানান, ঘটনার দিন বুধবার প্রাইভেট পড়ানোর উদ্দেশ্যে ৫টার পর রুম্পা বাসা থেকে বের হন। তিনি যে বাসায় প্রাইভেট পড়াতে যান সেটি শান্তিবাগেই। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তিনি বাসার নিচে এসে মা নাহিদা আক্তার পারুলকে ফোন দিয়ে বলেন, তার আট বছর বয়সী চাচাতো ভাই জাহিদুল ইসলাম সুমনের কাছে এক জোড়া স্যান্ডেল দিয়ে নিচে পাঠাতে। নিচে দাঁড়িয়ে তিনি জুতা পরিবর্তন করেন। এরপর তার সঙ্গে থাকা ব্যাগ, ঘড়ি, আংটি এবং মোবাইল ফোন সুমনকে দিয়ে বলেন, ‘আমার কাজ আছে, একটু পর আসছি।’ তারপর থেকে তার কোনো খবর পায়নি পরিবার। কেন তিনি মোবাইল ফোনসহ সবকিছু বাসায় রেখে গেলেন এই প্রশ্নের উত্তর মিলছে না। তিনি কেন শান্তিবাগ এলাকার ভবনে গিয়েছিলেন, তার সঙ্গে অন্য কেউ ছিল কিনা- এ বিষয়টিও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এর আগে কখনও তিনি ওই ভবনে গিয়েছিলেন কিনা সেটিও একটি বড় প্রশ্ন তদন্তকারী কর্মকর্তাদের।

প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে ধোঁয়াশা : জানা গেছে, ৭-৮ মাস আগে স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ’র এক ছাত্রের সঙ্গে রুম্পার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরে সেই ছেলেটি আর্থিক কারণে স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। পারিবারিক কারণ দেখিয়ে ছেলেটি রুম্পার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন।

ওই ছেলেটি  দাবি করেন, রুম্পা বিভিন্ন সময় ফেসবুক এবং মোবাইল ফোনে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করতেন। কিন্তু তিনি এই সম্পর্ক এগিয়ে নিতে আগ্রহী ছিলেন না। ঘটনার দিন বুধবার দুপুরে এক বন্ধুর জন্মদিনের কেক কাটতে স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন তিনি। সেখানে রুম্পার এক মেয়ে বন্ধু তার (ছেলেটি) সঙ্গে দেখা করেন। তিনি তাকে অনুরোধ করেন প্রেমের সম্পর্কটি যেন তারা এগিয়ে নিয়ে যান। পরে রুম্পাও তার সঙ্গে দেখা করেন। সবার সামনেই তিনি রুম্পাকে জানিয়ে দেন, এই সম্পর্কটি এগিয়ে নিতে চান না তিনি। পরে তিনি সেখান থেকে চলে যান। মামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রেমসংক্রান্ত বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। এ বিষয়ে খোঁজ নেয়া হচ্ছে।