গুণগত শিক্ষা মানবিক সমাজের পূর্বশর্ত: ইউজিসি চেয়ারম্যান


টাইমস প্রতিবেদক
Published: 2018-01-29 18:31:16 BdST | Updated: 2018-08-14 20:23:09 BdST

‘গুণগত শিক্ষা মানবিক সমাজ গড়ার পূর্বশর্ত’ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান। তিনি বলেন, ‘দারিদ্র্য ও মানবিক দারিদ্র্য দূর করে যে শিক্ষা মানব উন্নয়ন ঘটায়, তা টেকসই জ্ঞানভিত্তিক সমাজের জন্য অপরিহার্য।’

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সোমবার (২৯ জানুয়ারি) আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ-এর দ্বিতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি ও আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের চ্যান্সেলরের পক্ষে সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক আবদুল মান্নান। অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফিলিপাইনের প্রাক্তন মন্ত্রী ও ফিলিপাইনস ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর এগ্রিকালচার অ্যান্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট মিউচুয়ালি রি-ইনফোসিং ইনস্টিটিউশনস’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ড. জেমি এরিস্টটল বি. আলিপ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ’র উপাচার্য অধ্যাপক ড. ডালেম চন্দ্র বর্মণ। বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজ চেয়ারম্যান মো. সফিকুল হক চৌধুরীর পক্ষে এম আব্দুল আজিজ (সদস্য, বোর্ড অব ট্রাস্টিজ)।

ডিগ্রিধারীদের উদ্দেশ্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান বলেন, গুণগত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে আপনারা ভিশন ২০২১-এর লক্ষ্য অর্জনে সচেষ্ট হবেন এবং দেশকে একটি মধ্য আয়ের দেশে রূপান্তরিত করতে ভূমিকা রাখবেন।

অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা ড. জে মি অ্যারিস্টটল বি. আলিপ চরিত্র গঠনের ওপরে গুরত্বারোপ করেন এবং সমাবর্তনে প্রাপ্ত ডিগ্রির সমতুল্য চরিত্র ও ব্যবহার বজায় রাখার আহ্বান জানান।

আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ডালেম চন্দ্র বর্মণ বলেন, আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ভিশন হচ্ছে জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণ। দক্ষ মানব সম্পদ তৈরি ও নৈতিক মূল্যবোধের মাধ্যমে প্রত্যক্ষভাবে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ও জনগণের ক্ষমতায়নে গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে আশা ইউনিভার্সিটির শিক্ষা ব্যবস্থা।

দারিদ্র্যমুক্ত এবং সুখী ও সমৃদ্ধ দেশ গড়তে ডিগ্রিধারী শিক্ষার্থীদের নিজেদের নিয়োজিত থাকার আহ্বান জানান ড. বর্মণ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজ সদস্য এম আব্দুল আজিজ বলেন, আমাদের লক্ষ্য ছিল এমন একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, যেখানে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীরা গুণগত মানের উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাবে।

আশা ইউনিভার্সিটি দ্বিতীয় সমাবর্তনে পাঁচ হাজার ৮৫৫ গ্রাজুয়েটকে ডিগ্রি প্রদান করে। সর্বোচ্চ ফলাফলের জন্য বি. ফার্মে সোহানা দিল আফরোজ এবং এমবিএ-তে প্রিসিলা জামান তন্বীকে চ্যান্সেলর স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়।

টিআই/ ২৯ জানুয়ারি ২০১৮

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।