প্রমাণ মিলেছে প্রশ্ন ফাঁসের: পদত্যাগ প্রশ্নে নিশ্চুপ সাদেকা হালিম


ঢাবি টাইমস
Published: 2018-10-16 21:03:14 BdST | Updated: 2018-12-12 01:17:38 BdST

পরীক্ষার আগে যদি একজন শিক্ষার্থীও প্রশ্ন পেয়ে থাকে তাহলে তাকে প্রশ্নফাঁস বলা যাবে কিনা এবং উন্নত দেশের মত ব্যর্থতার দায় নিয়ে পদত্যাগ করবেন কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে কোন কথা বলেননি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ‘ঘ’ ইউনিটের সমন্বয়ক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক সাদেকা হালিম। পরে তার প্রশ্নের উত্তর দেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সামাদ। তিনি বলেন, প্রশ্নফাঁস বা ডিজিটাল জালিয়াতি যাই হোক না কেন প্রশাসন বিষয়টি খতিয়ে দেখবে।

পরীক্ষা শুরুর আগে হাতে লেখা ৭২টি প্রশ্ন সাংবাদিকদের হাতে আসে। পরে সেটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানানো হয়। বিষয়টি প্রশ্নফাঁস বলবেন কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, কতগুলো কাগজে প্রশ্ন হাতে লেখা ছিল। তদন্তের মাধ্যমে বের হবে যে এটা কারা করেছে এবং কখন করেছে। তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।

.

এর আগে গত দুই বছরও 'ঘ' ইউনিটের প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটেছে। এবার টানা তৃতীয় বারের মতো ঘ ই্উনিটে প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটলো। এরকম কেন ঘটেছে এবং এক্ষেত্রে যারা দায়িত্ব পালন করছেন তাদের কোন ব্যর্থতা আছে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে উপাচার্য বলেন , এরকম ঘটনা যখনি ঘটছে তখনি অভিযুক্তদের শাস্তির আওতায় আনা হচ্ছে। তবে খুশির বিষয় হলো, এবার প্রশ্নপত্র ফাঁসে জালিয়াত চক্রকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। এটা প্রশাসনের সবচেয়ে বড় সাফল্য।

বিদিবিএস 

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।