ডাকসু গঠনতন্ত্র সংশোধনী বৈঠকে যেসব প্রস্তাব দিলেন ছাত্রনেতারা


ঢাবি টাইমস
Published: 2019-01-10 20:26:37 BdST | Updated: 2019-03-24 03:52:25 BdST

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন আয়োজনের অংশ হিসেবে গঠনতন্ত্র যুগোপযোগী করতে ক্যাম্পাসের ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনগুলোর সঙ্গে বৈঠকে বসে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (১০ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনের লাউঞ্জে বৈঠক শুরু হয়ে চলে দেড়টা পর্যন্ত।

বৈঠকে ১৩টি ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেয়। বৈঠক শেষে আলোচনার বিষয় নিয়ে আলাদাভাবে সাংবাধিকদের সঙ্গে কথা বলেন ছাত্রনেতৃবৃন্দ।

বৈঠকসূত্রে জানা গেছে, সরকারদলীয় ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগ ডাকসুতে সেক্রেটারিয়েট-এর সংখ্যা বৃদ্ধি, নারী প্রতিনিধি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যাকেন্দ্রিক আলাদা সম্পাদক পদ সৃষ্টির দাবি জানিয়েছে।

ছাত্রদল নেতার বক্তব্য 

ছাত্রদলের পক্ষ থেকে নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণা ও ক্যাম্পাসে সকল সংগঠনের নেতা-কর্মীরা যেন সমান সুযোগ পায় সে বিষয়ে প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এমফিল করা (নিয়মিত) শিক্ষার্থীদের সদস্য রাখা, দীর্ঘদিন পরে নির্বাচন হচ্ছে বিধায় একটি নির্দিষ্ট সেশন পর্যন্ত শিক্ষার্থীকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া, সভাপতির ক্ষমতা হ্রাস এবং সেক্রেটারিয়েট বডির সদস্যদের ক্ষমতা বৃদ্ধিসহ নানা প্রস্তাবনা পেশ করেছে বাম ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

বৈঠক শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস বলেন, ‘বৈঠকে আমাদের প্রস্তাবনাগুলো তুলে ধরেছি। আমরা চাই সকল সংগঠন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক।’

ক্যাম্পাসে সহাবস্থানের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ক্যাম্পাসে সহাবস্থান আছে। যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত শিক্ষার্থী তারা ক্যাম্পাসে আসছেন আড্ডা দিচ্ছেন। সাধারণ শিক্ষার্থীরা যদি তাদের মতাদর্শ গ্রহণ করে নেয় তাহলে তারা ক্যাম্পাসে আসতে পারবে— কেউতো তাদের বাধা দিচ্ছে না।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল সভাপতি আল মেহেদী তালুকদার বলেন, ‘ক্যাম্পাসে সহাবস্থান নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ব্যাবস্থা গ্রহণ করবে।’

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘সহাবস্থা্ন নিশ্চিত না হলে আমরা নির্বাচনে অংশ নাও নিতে পারি।’

ছাত্র ফেডারেশনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি উম্মে হাবিবা বেনজীর বলেন, ‘ডাকসুর বর্তমান গঠনতন্ত্রে সভাপতিকে একচেটিয়া ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এতে পদাধিকার বলে সভাপতি (উপাচার্য) নির্বাচিত প্রতিনিধিকে বহিষ্কার করতে পারবে। তিনি যে বিষয়ে চাইবেন সে বিষয়ই আলোচিত হবে। আমরা বিষয়গুলোর পরিবর্তনে প্রস্তাব রেখেছি। পাশাপাশি যেহেতু দীর্ঘদিন নির্বাচন হয়নি তাই আমরা একটি নির্দিষ্ট সেশন পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি বলেছি।’

 

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।