জাবি ভিসির বিরুদ্ধে ২২৪ পৃষ্ঠার ‘দুর্নীতির খতিয়ান’


JU
Published: 2019-12-11 00:38:29 BdST | Updated: 2020-09-19 15:54:45 BdST

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের বিরুদ্ধে ২২৪ পৃষ্ঠার ‘দুর্নীতির খতিয়ান’ প্রকাশ করেছে ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’র ব্যানারে আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এ খতিয়ানে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের শুরু থেকে হয়ে আসা বিভিন্ন ‘অনিয়ম’ ও উপাচার্যের ‘স্বেচ্ছাচারিতা, দুর্নীতি ও নৈতিক স্খলনের’ তথ্য-উপাত্ত সংযোজন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কলাভবনের শিক্ষক লাউঞ্জে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বই আকারে এ খতিয়ান প্রকাশ করা হয়।

এতে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার জন্য সাত দফা প্রস্তাবনা সংবলিত ইশতেহার প্রকাশ করেন তারা। সেগুলো হলো- বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় সব প্রশাসনিক, একাডেমিক ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অর্থনৈতিক হিসাব জনপরিসরে প্রকাশ করা। উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়ন, সংশোধন এবং যেকোনো অবকাঠামোগত উন্নয়নে সব অংশীজনের মতামত ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং তদারক কমিটি গঠন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অচলাবস্থা ছাড়া উপাচার্যের বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ না করা। শুধু প্যানেল নির্বাচনের মাধ্যমেই উপাচার্য নিয়োগ করা। ছাত্র সংসদ নির্বাচন দিয়ে সিনেট পূর্ণাঙ্গ করা। পূর্ণঙ্গ আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘোষণা বাস্তবায়ন এবং বাণিজ্যিক কোর্স ও ব্যবস্থাপনার বাণিজ্যিক ব্যবহার বন্ধ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক সত্তা সমুন্নত রাখা।

সংবাদ সম্মেলনে পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জামাল উদ্দিন রুনু বলেন, ‘উপাচার্য নিজের পদে আসীন থেকে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে দুর্নীতির মহোৎসব দেখা যাবে। তিনি উন্নয়নকাজ দেখভালের যোগ্যতা হারিয়েছেন বলেই আমরা তার পদত্যাগ চেয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয় এখন গভীর সংকটে নিমজ্জিত। আশা করছি, সরকার এ বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেবে।’

জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুশফিক উস সালেহীনের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক রায়হান রাইন, খবির উদ্দিন, মির্জা তাসলিমা সুলতানা, তারেক রেজা, নাজমুল হাসান তালুকদার, শামীমা সুলতানা প্রমুখ।