ঢাবি-বুয়েটের জন্য অন্যদের ভোগান্তি মানা হবে না: ইউজিসি চেয়ারম্যান


Dhaka
Published: 2020-02-11 01:04:25 BdST | Updated: 2020-02-29 03:20:24 BdST

ঢাবি-বুয়েটের সুবিধার জন্য অন্যদের ভোগান্তি মানা হবে না বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহ। তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কোনো সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হতে পারে না। আমরা জাতির স্বার্থে যেকোনো মূল্যে সমন্বিত ভর্তি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবো।

সোমবার ইউজিসিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে দেশের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যদের সঙ্গে আলোচনা সভায় ইউজিসির চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, কারও ‘ইগো’ যেন অন্যদের প্রভাবিত করতে না পারে। এ ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে। দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা শুরু হলে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা চালু ও সান্ধ্য কোর্স বন্ধে উপাচার্য ও সংশ্লিষ্টরা এগিয়ে এলে শিক্ষক সম্প্রদায়ের ভাবমূর্তি ইতিবাচক পরিবর্তন হবে।

ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, যদি কেউ সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় না আসে তারা ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়বে। আমরা এবার একটি উদাহরণ সৃষ্টি করতে চাই। এটি চালু হলে আগামীতে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা নেয়া ছাড়া কোনো বিকল্প থাকবে না।

তিনি স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষায় নারী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভোগান্তি লাঘবে বিভিন্ন চাপ মোকাবিলা করে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে নতুন পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষার সুযোগ তৈরির জন্য উপাচার্যদেরকে আহ্বান জানান।

সভায় ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. দিল আফরোজা বেগম, প্রফেসর ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর উপস্থিত ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রফিকুল ইসলাম শেখ এবং খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (চলতি দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মহিউদ্দিন আহমাদ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ২৩ জানুয়ারি দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সব বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে যাচ্ছে কমিশন। এরই ধারাবাহিকতায় প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ডাকা হয়।