পরিবারসহ নোবিপ্রবির দুই শিক্ষার্থী করোনায় আক্রান্ত


Noakhali
Published: 2020-05-17 18:06:18 BdST | Updated: 2020-09-21 09:20:34 BdST

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) পরিবারসহ দুই শিক্ষার্থী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের অনুজীব বিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষার্থী মা-বাবা, ভাই-ভাবিসহ পরিবারের পাঁচজন এবং ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের আরেক শিক্ষার্থী বাবা, ভাইসহ পরিবারের তিনজন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

অনুজীববিজ্ঞান বিভাগের আক্রান্ত শিক্ষার্থী মোবারক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে নিজের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ২ মে থেকে তার বড় ভাইয়ের শরীরে করোনার উপসর্গ দেখা দেয়। পরবর্তীতে ৪ মে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নমুনা দিয়ে আসেন। সেখান থেকে চট্টগ্রাম বিআইটিআইডিতে নমুনা পাঠানো হলে ১০ মে প্রকাশিত রিপোর্টে তার করোনা পজিটিভ আসে।

পরদিন ১১ মে তাদের বাড়ি লকডাউন করে দেয়া হয়। একই সঙ্গে পরিবারের সবার নমুনা সংগ্রহ করে আব্দুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজের পরীক্ষা কেন্দ্রে পাঠানো হয়। একদিন পর আসা রেজাল্টে পূর্বে আক্রান্ত বড় ভাইয়ের নেগেটিভ এবং ওই শিক্ষার্থীসহ তার বাবা-মা, ভাবি এবং ছোট ভাইয়ের করোনা পজিটিভ আসে। এছাড়া ছোট বোনের নেগেটিভ পাওয়া গেলেও তার কাশি এবং শরীর ব্যথা রয়েছে।

এর আগে তার বড় ভাই করোনা আক্রান্ত হয়ে সুস্থও হয়ে ওঠেন। কিন্তু নমুনা সংগ্রহের পর পরীক্ষার ফলাফল দেরিতে আসায় এর মধ্যে পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে তিনি মিশেছেন। এতে তার থেকে পরিবারের সবার মাঝে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ে। মোবারক বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগের অবহেলার ফলেই আজ তারা সবাই আক্রান্ত।

তিনি বলেন, আমাদের ঘরটি ছোট। তাই দ্রুত সবার মাঝে ছড়িয়েছে। বড় ভাইয়ের আক্রান্তের বিষয়ে আগে জানলে অন্য আত্মীয়ের বাসায় পাঠিয়ে হলেও তাকে আইসোলেশনে রাখা যেত। রেজাল্ট দেরিতে আসায় আজ তাদের পরিবারকে এ বিপদের সম্মুখীন হতে হয়েছে।

বর্তমানে তারা সবাই নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনীতে নিজ বাসায় সেল্ফ আইসোলেশনে রয়েছেন। নোবিপ্রবি অনুজীববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ড. ফিরোজ আহমেদ তাদের খোঁজ নিয়ে নিয়মিত দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন বলে জানান ওই শিক্ষার্থী।

এদিকে ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী ১৬ মে (শনিবার) আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আব্বুর অবস্থা বেশি খারাপ হওয়ায় ওনাকে ঢাকা নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আর আমি এবং আমার ছোট ভাই মাইজদী শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামে চিকিৎসা নিচ্ছি। নিয়মিত ডাক্তারা এখানে এসে আমাদের দেখাশুনা করছেন।