ব্যবসায় ঝুঁকছেন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক-কর্মকর্তারা


Dhaka
Published: 2020-08-10 09:07:29 BdST | Updated: 2020-09-24 10:40:16 BdST

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অনুমতি ছাড়া ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা ও সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করা চাকরিবিধির লঙ্ঘন বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরিবিধি মানতে এবং গবেষণার জন্য বরাদ্দ অর্থের নিয়ম মেনে ব্যয় নিশ্চিত করতে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে অনুরোধ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। গতকাল রবিবার ইউজিসি থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ‘পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক-কর্মকর্তা বা কর্মচারী কর্র্তৃক স্বীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরিবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ ও প্রতিপালন করা অবশ্য কর্তব্য।

চাকরিবিধি অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত কোনো শিক্ষক, কর্মকর্তা বা কর্মচারী যথাযথ কর্র্তৃপক্ষের বিনানুমতিতে অন্য কোনো সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কিংবা ব্যক্তিগতভাবে কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা বা কোনো ধরনের লাভজনক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত থাকতে পারেন না। কিন্তু কোনো কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণের মধ্যে কেউ কেউ চাকরিবিধি অমান্য করে কর্র্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন ব্যতিরেকে একদিকে যেমন সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করে যাচ্ছেন, অন্যদিকে আবার কেউ কেউ ব্যক্তিগতভাবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও পরিচালনা করছেন, যা কমিশনের গোচরীভূত হয়েছে। এহেন কর্মকাণ্ড চাকরি বিধিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। ’
একই চিঠিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ব্যয়ে নিয়মের ব্যত্যয় হচ্ছে উল্লেখ করে ইউজিসি বলেছে, দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পরিচালন ও উন্নয়ন খাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাহিদামতো প্রতি অর্থবছরে সরকার অর্থ বরাদ্দ দিয়ে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে গবেষণা কার্যক্রম অন্যতম বিধায় কমিশন গবেষণা কার্যক্রমের ওপর গুরুত্ব দিয়ে এ খাতে অর্থ বরাদ্দ প্রদান করে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্র্তৃপক্ষ বরাদ্দকৃত অর্থের সাহায্যে গবেষণা প্রকল্প আহ্বান এবং প্রাপ্ত গবেষণা প্রকল্প পরীক্ষা-নিরীক্ষান্তে চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত প্রকল্পের অনুকূলে আর্থিক অনুদান দিয়ে থাকে। কিন্তু গবেষণা খাতের অর্থ গবেষণা কার্যক্রমে ব্যয় করার নিয়ম থাকলেও কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে এ নিয়মের ব্যত্যয় ঘটছে। ফলে উক্ত চিঠিতে গবেষণা খাতে বরাদ্দকৃত সমুদয় অর্থ শুধু নির্বাচিত গবেষণা প্রকল্পের কার্যক্রমে ব্যয়ের নিশ্চয়তা বিধানের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ করেছে ইউজিসি।