দেশসেরা বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ার প্রত্যাশা জবির


Dhaka
Published: 2020-10-20 20:00:29 BdST | Updated: 2020-11-29 02:15:43 BdST

‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে দক্ষ মানবসম্পদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত মেধাবী। শত প্রতিকূল পরিবেশে দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। আমাদের পক্ষে দেশের সবচেয়ে প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয় হওয়া সম্ভব নয়। তবে আমরা অবশ্যই বিশ্বমানে দেশসেরা বিশ্ববিদ্যালয় হতে পারব।’

আজ মঙ্গলবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চদশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এমন প্রত্যাশা করেন।

করোনাভাইরাসের কারণে এবার স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্বল্প পরিসরে উদ‌যাপন করার সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনা এবং শহীদ মিনার চত্বর থেকে বেলুন উড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের উদ্বোধন করা হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য নবনির্মিত বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল উদ্বোধন করা হয়েছে। এরপর ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের আয়োজনে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। এ ছাড়া জনসংযোগ দপ্তরের সংক্ষিপ্ত আকারে প্রকাশনা প্রদর্শনীর এবং ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভা'সহ ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সংগঠন ভার্চুয়ালি নানা আয়োজনে দিনব্যাপী দিবসটি উদ‌যাপন করে।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য মীজানুর রহমান বলেন, আমাদের বিভাগগুলোয় শিক্ষার মানোন্নয়ন, আধুনিক ল্যাব তৈরি ও গবেষণা বাড়াতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। করোনার মধ্যে শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে না থাকে সেজন্য অনলাইনে ক্লাস চলছে। দ্রুত গতির ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। শিক্ষার্থীদের ডিভাইস কেনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) তালিকা দেওয়া হয়েছে। আমরাও ভর্তুকি দেওয়া সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

উপাচার্য বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো আয়োজন পুরান ঢাকায় গণমানুষের উৎসবের পরিনত হয়। দিন ব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজন এক সঙ্গে উদযাপন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা। বিশ্ববিদ্যালয়টিকে ঘিরেই পুরান ঢাকায় তৈরি হয়েছে সাংস্কৃতিক বলয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ কামালউদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে ও রেজিস্ট্রার ওহিদুজ্জামানের সঞ্চালনায় সভায় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনষ্টিটিউটের পরিচালক, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, হলের প্রভোস্ট, রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পুলের গাড়ির চালক এবং বাসচালকের সহকারীদের জন্য বিশ্রামাগারের উদ্বোধন করেন উপাচার্য। পরিবহন পুলে দুটি নতুন এসি মাইক্রোবাস যুক্ত করা হয়।