কৃত্রিম উপায়ে ড্রাগন ফল উৎপাদনে সফল বিজ্ঞানীরা


টাইমস প্রতিবেদক
Published: 2018-05-12 15:48:05 BdST | Updated: 2018-05-22 02:39:03 BdST

কৃত্রিম উপায়ে দিনের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি করে মৌসুম ছাড়া ড্রাগন ফল উৎপাদনে প্রাথমিকভাবে সফলতা অর্জন করেছেন নরসিংদীর শিবপুর আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র এবং চট্টগ্রামের পাহাড়তলী গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা। প্রাথমিকভাবে কয়েকটি ভাগে বিভক্ত করে বারি ড্রাগন ১-এর ওপর শুরু করা হয় এই গবেষণা।

২০১৭ সালের অক্টোবর মাস থেকে ন্যাশনাল টিউবারকিউলোসিস কন্ট্রোল প্রোগ্রামের (এনএটিপি) অর্থায়নে দিনের আলো বৃদ্ধি করে মৌসুম ছাড়া ড্রাগন ফল উৎপাদনের গবেষণা শুরু করেন শিবপুরের বিজ্ঞানীরা।

এই মৌসুমে দিনের দৈর্ঘ্য কম থাকায় প্রত্যেকটি ঘরে বিকেল থেকে সন্ধ্যার কিছু সময় পর্যন্ত বিভিন্ন তাপমাত্রার বাল্ব লাগিয়ে দিনের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি করা হয়। অবশেষে মার্চ মাসে গবেষণার কাঙ্ক্ষিত ফলাফল আসে।

বিজ্ঞানী ড. মশিউর রহমান মনে করছেন, এই সফলতা কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে পাড়লে মৌসুম ছাড়াই ড্রাগন ফল উৎপাদন করে বেশি দামে বিক্রি করে লাভবান হবেন কৃষকরা। তবে এখনই এই ফল কৃষক পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। চূড়ান্ত গবেষণা শেষ হতে আরো দুই বছর সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।

ড্রাগন ফল খুব কম যত্নে এবং অনুর্বর মাটিতে সফলভাবে চাষ করা যায় বিধায় দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। চিনির পরিমাণ কম থাকে তাই এই্ ফলটি ডায়াবিটিক রোগীদের জন্য খুবই উপকারী।

মৌসুম ছাড়া ড্রাগন ফল উৎপাদন করতে চাইলে বৈদ্যুতিক তার,বাল্ব ও বিলসহ গাছ প্রতি খরচ হবে প্রায় ৩০০ টাকা। অক্টোবর থেকে মে মাসে বাজারে মৌসুমি ফল না থাকায় ফল প্রতি বিক্রি করা যাবে ২০০ থেকে ৩০০ টাকায়। দেশি ফলের পাশাপাশি এই ফলটিও মানুষের ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করবে। এখানকার মাটি ও আবহাওয়া অনুকূলে হওয়ায় ফলনও ভালো হবে ।

দেশে বর্তমানে যেসব বিদেশি ফল উৎপাদিত হচ্ছে ড্রাগন ফল তাদের মধ্যে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সূত্র: এনটিভি।

এসএম/ ১২ মে ২০১৮

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।