সুপার ওভারে চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড


ঢাকা
Published: 2019-07-15 01:11:05 BdST | Updated: 2019-12-14 21:18:55 BdST

এমন ফাইনালের অপেক্ষাতেই তো ছিল বিশ্ব। শেষ ওভারের আগেও বোঝা যাচ্ছে না কে জিতবে। সেই কবে ১৯৯২ সালে বিশ্বকাপ ফাইনালে শেষ দিকেও একটু উত্তেজনা ছিল। এরপর বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ফাইনাল মানেই একপেশে লড়াই। ম্যাচ শেষ হওয়ার বহু আগেই শেষ হয়ে গিয়েছিল সব উত্তেজনা। কিন্তু আজ ইংল্যান্ড যখন সুপার ওভারে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জিতল, সে ফাইনালের গায়ে অন্তত কেউ অপবাদ কেউ দিতে পারবেন না।

শেষ ওভারে দরকার ১৫ রান। স্ট্রাইকিং প্রান্তে বেন স্টোকস। ২০১৬ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ফাইনালে শেষ ওভারে ৪ ছক্কা খেয়ে এক বিশাল দায় বইছেন যিনি। প্রথম দুই বলে কোনো রান এল না। তৃতীয় বলেই ছক্কা। নড়েচড়ে বসলেন সবাই। পরের বল কাউ কর্নারে পাঠিয়ে দৌড় দিলেন স্টোকস। মার্টিন গাপটিল যে দুর্দান্ত থ্রো করলেন সেটা গিয়ে লাগল স্টোকসের ব্যাটে। সে বল সেই ছুট লাগাল, সীমানা পেরোনোর আগে আর থামল না! দুই রানের বদলে এল ৬ রান! ২ বলে মাত্র ৩ রান দরকার ইংল্যান্ডের!

পঞ্চম বল লং অফে পাঠিয়ে দুই রান নেওয়ার চেষ্টা করলেন স্টোকস। কিন্তু ননস্ট্রাইকিং প্রান্তে রান আউট হলেন আদিল রশিদ। ১ বলে দরকার দুই রান। এবার লং অনে বল ঠেলে দিয়েই আবার দুই রানের চেষ্টা, এবারও রান আউট। দ্বিতীয় রানের চেষ্টা করতে গিয়ে রান আউট মার্ক উড। ৮৪ রানে অপরাজিত স্টোকস, কিন্তু ওতেও লাভ নেই। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ ফাইনাল টাই হলো! যে বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো ফাইনাল ও সেমিফাইনাল টাই হলে সুপার ওভার হওয়ার নিয়ম করা হলো, সেবারই ফাইনাল গড়াল সুপার ওভারে।

সুপার ওভারেও বল হাতে তুলে দেওয়া হলো ট্রেন্ট বোল্টের হাতে। ইংল্যান্ডের পক্ষে নামলেন বাটলার ও স্টোকস। সে ওভারে দুই চার ও এক তিনে এল ১৫ রান। ১৬ রানের লক্ষ্য পেল পুরো বিশ্বকাপে বাজে ব্যাটিং করা নিউজিল্যান্ড।

এর আগেও ৪৯তম ওভারে বোল্ট স্টোকসের ক্যাচ ধরে সীমানা দড়িতে পা না দিলে ম্যাচ হয়তো তখনই শেষ হয়ে যেত।