আমরা রাষ্ট্রপতির বক্তব্যকে স্বাগত জানাই: ডাকসু এজিএস


ঢাবি টাইমস
Published: 2019-12-09 17:17:03 BdST | Updated: 2020-01-29 16:44:04 BdST

ডাকসু নির্বাচনের সর্বাধিক ভোটে নির্বাচিত এজিএস সাদ্দাম হোসেন বলেছেন, আমরা রাষ্ট্রপতির বক্তব্যকে স্বাগত জানাই।

এজিএস এর কাছে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে সাদ্দাম এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, কারো ব্যক্তিগত দুর্নীতির দায়ভার ডাকসু নেবে না। ডাকসু শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা ইতিমধ্যে অনেকগুলো কাজ করেছি। আমরা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে পারলে, বিস্তারিত জানাতে পারলে বিষয়টি আরো পরিষ্কার হত।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫২তম সমাবর্তন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সমর্থন বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞানী ডঃ তাকাকি কাজিতা ।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আবদুল হামিদ।

তিনি তার বক্তব্যে বলেন, ডাকসু নেতাদের কর্মকান্ড আমার ভালো লাগেনা। তাদের উচিত ছাত্রদেরকে কল্যাণের কাজে প্রাধান্য দেয়া। তাদের নিয়ে এখন নানান কথা শোনা যাচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ভর্তিতে নানা ভোগান্তির বিষয় উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, এ বিষয়ে তো ডাকসু নেতাদেরই কথা বলার ছিল, আমি বলব কেন?

ডাকসু নির্বাচনের নানান ত্রুটির কথা আমি শুনতে পেয়েছি। আশা করি , আগামীতে এ রকমের ভুল ত্রুটি হবে না।

এদিকে রাষ্ট্রপতি বিশ্ববিদ্যালয়ের সান্ধ্যকালীন কোর্স নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, সান্ধ্যকালীন কোর্সের মান এবং এর কারণে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস মেলায় পরিণত হয়। এ বিষয়ে সুচিন্তিত পদক্ষেপ নিতে হবে ।

রাষ্ট্রপতি বলেন, মেডিসিন বিদেশের জন্য একভাবে তৈরি করা হয়, ঢাকার জন্য এক ভাবে তৈরি করা হয়, গ্রামাঞ্চলের মানুষের জন্য আরেক ভাবে তৈরি করা হয় ছাত্রসমাজকে বিষয়টি রুখে দাঁড়াতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, ‘সম্প্রতি দেশের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটে যাওয়া অমানবিক ও অনভিপ্রেত ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ও শিক্ষার্থীদের সুনাম ক্ষুন্ন হয়েছে। ছাত্রছাত্রীরা লেখাপড়া করে জ্ঞান অর্জনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়, লাশ হয়ে বা বহিষ্কৃত হয়ে বাড়ি ফিরে যাওয়ার জন্য নয়। আমি আশা করব ভবিষ্যতে কর্তৃপক্ষ সময়মতো সঠিক পদক্ষেপ নেবে।’

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘তোমাদের মা-বাবা অনেক আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে তোমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করেন। এমন অনেক পরিবার আছেন যারা সর্বস্ব দিয়ে তাদের ছেলেমেয়েদের মানুষ করার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠান। তোমাদের মূল দায়িত্ব হলো লেখাপড়া করা এবং দেশের যোগ্য নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলা। তোমরা এমন কোনো কাজ করবে না যাতে তোমাদের পরিবার ও প্রতিষ্ঠানের সম্মান ক্ষুন্ন হয়।’