ছাত্রীরা হামলার অভিযোগে এশার গলায় জুতার মালা পড়িয়ে দেয়

এশাকে বাঁচাতেই ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল


ঢাবি টাইমস
Published: 2018-04-12 20:15:49 BdST | Updated: 2018-09-25 02:23:11 BdST

অবশেষে ঢাবির সুফিয়া কামাল হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইশরাত জাহান এশার পক্ষেই অবস্থান নিতে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। এমনকি তদন্ত করে তার বহিষ্কারাদেশও প্রত্যাহারের ইঙ্গিত দিয়েছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এম সাইফুর রহমান সোহাগ এবং সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাত থেকে কয়েকবার এ প্রতিবেদকের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলাপকালে তারা এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন।

ভোরের পাতার পক্ষ থেকে বারবার প্রশ্ন করা হয়েছিল, তবে কেনই বহিষ্কার করা হয়েছিল এশাকে? এমন প্রশ্নের জবাবে সাইফুর রহমান সোহাগ এবং এস এম জাকির হোসাইন তিনটি কারণের কথা অভিন্ন সুরে বলেছেন। কারণ তিনটি হচ্ছে: ছাত্রলীগের নেত্রী একটি মেয়ের রগ কেটে দিয়েছে এমন গুজব ছড়িয়ে পরে। তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ব্যবস্থা না নিলে এই গুজবকে পুঁজি করে আরো বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারতো।

দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে- আন্দোলনকারী এবং গুজব ছড়ানো শিক্ষার্থীরা উত্তেজনা নিয়ে আরো বেশি তাণ্ডব চালাতে পারতো তাই পরিস্থিতি বিবেচনায় এই বহিষ্কার করা হয়েছিল। সর্বশেষ তৃতীয় যে কারণটি রয়েছে তা হচ্ছে- যেকোনো মূল্যে এশার জীবন রক্ষা করা। এই বহিষ্কার না করলে তখন এশাকে হত্যা করার মতো পরিকল্পনাও ছিল গুজব ছড়ানো আন্দোলনকারীদের।

মঙ্গলবার রাতের পর থেকেই এশার পক্ষে ছাত্রলীগের তেমন কেউ না থাকলেও এখন প্রায় সবাই সরব হয়েছেন তার পক্ষে অবস্থান নিয়ে। ছাত্রলীগও ইতিমধ্যে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছ। ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তারপরই সিদ্ধান্ত আসবে তার বহিষ্কারাদেশ থাকবে না প্রত্যাহার করা হবে।

বিদিবিএস 

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।