মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০১৭
UCC-LOGO1

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিছিয়ে ঢাবি সিমাগো ও স্কপাসের জরিপ

ঢাকাঃ দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় গবেষণা করে আসছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি একই ধরনের গবেষণা করছে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানও। এর সঙ্গে রয়েছে নতুন নতুন উদ্ভাবন, যা প্রভাব ফেলছে সমাজের ওপর। প্রতিষ্ঠানগুলোর গবেষণা, উদ্ভাবন ও সমাজে এর প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে প্রতি বছরই শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করে আসছে স্পেনের সিমাগো রিসার্চ গ্রুপ ও যুক্তরাষ্ট্রের স্কপাস। চলতি বছর প্রকাশিত তালিকায় স্থান পেয়েছে বিজ্ঞান গবেষণায় নেতৃস্থানীয় বাংলাদেশের ১১টি প্রতিষ্ঠান। যদিও ২০১৫ সালে তালিকায় বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠান ছিল নয়টি।top-11-institute-for-resear_51428

বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বরাবরের মতোই এবারো শীর্ষে রয়েছে সেন্টার ফর হেলথ অ্যান্ড পপুলেশন রিসার্চ, যা আইসিডিডিআর,বি নামে পরিচিত। পরের স্থানগুলোয় রয়েছে যথাক্রমে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি), রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেসরকারি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি এ বছর নতুন করে যুক্ত হয়েছে তালিকায়।

স্পেনের বেশ কয়েকটি শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে পরিচালিত হয় সিমাগো রিসার্চ গ্রুপ। আর একাডেমিক জার্নালের ডাটাবেজ হিসেবে পরিচিত যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান স্কপাস। এ দুই প্রতিষ্ঠানের তালিকায় বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে শীর্ষে থাকা আইসিডিডিআর,বির বৈশ্বিক অবস্থান ৫৯৪তম। ডায়রিয়া ও কলেরা রোগের টিকা ও চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রতিষ্ঠানটির রয়েছে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, বিশেষ করে হাইতি ও পাকিস্তানে কলেরা রোগ নিরাময়ে কাজ করে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। কলেরা গবেষণায় আইসিডিডিআর,বিকে বিশ্বের শীর্ষ পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের একটি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে টমসন রয়টার্স। দারিদ্র্য, ক্ষুধা ও স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির রয়েছে নানামুখী গবেষণা।

এমএসএল