শাবিতে হামলার ঘটনায় ঢাবিতে দফায় দফায় বিক্ষোভ


DU Correspondent | Published: 2022-01-17 18:19:22 BdST | Updated: 2022-05-28 16:40:19 BdST

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল এং সমাবেশ করেছে বাম ঘরানার ছাত্র সংগঠনগুলো।

সোমবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন থেকে পৃথকভাবে বিক্ষোভ মিছিল বের করে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এরপর সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্য প্রাঙ্গণে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, প্রগতিশীল ছাত্রজোট এবং আট বাম সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

এসময় তারা শাবিপ্রবি প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের অপসারণ দাবি করেন।

সমাবেশে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন প্রিন্স বলেন, উপাচার্যকে উদ্ধারের নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে, একাডেমিক ভবনে পুলিশ শিক্ষার্থীদের ওপর শত শত টিয়ারশেল, রাবার বুলেট, সাউন্ড গ্রেনেড ছুঁড়েছে। ৫০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। এটি একটি ন্যাক্কারজনক উদাহরণ সৃষ্টি করেছে।

তিনি বলেন, একসময় শিক্ষকেরা শিক্ষার্থীদের জন্য নিজের রক্ত বিলিয়ে দিত। আজকে শিক্ষকেরা নিজেরাই নিজেদের অবরুদ্ধের জন্য দায়ী। যে উপাচার্য নিরাপত্তা দিতে পারে না, শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি মেনে নিতে পারে না, অবিলম্বে এই ব্যর্থ উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি করছি। শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ন্যাক্কারজনক হামলার দায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং শিক্ষামন্ত্রীকেও নিতে হবে।

ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক দীপক শীল বলেন, আন্দোলন শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক অধিকার। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের যৌক্তিক দাবি জানাবে এবং প্রশাসন তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে। অথচ শাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির আন্দোলনে ছাত্রলীগ হামলা করেছে। পুলিশ ডেকে যেভাবে বেপোয়ারাভাবে লাঠিচার্জ করা হয়েছে, এটি অত্যন্ত লজ্জার। অবিলম্বে এর বিচার দাবি করছি।

তিনি আরও বলেন, এটি সব বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের চিত্র। যেখানেই সুষ্ঠু আন্দোলন হয়েছে সেখানেই সরকারের পেটোয়া বাহিনীকে ব্যবহার করে ছত্রভঙ্গ করে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এই সিস্টেম ভেঙে দিতে হবে।

এসময় ছাত্র ইউনিয়ন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট (বাসদ), সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট (মার্কস বাদী), বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, ছাত্র ফেডারেশন, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলসহ কয়েকটি বামসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।