শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে আগস্ট থেকেই কাজ শুরু: শিক্ষামন্ত্রী


Desk report | Published: 2022-07-25 20:55:28 BdST | Updated: 2022-10-01 01:35:36 BdST

করোনার কারণে সৃষ্ট শিখত ঘাটতি পূরণে আগামী আগস্ট মাস থেকেই কাজ শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

তিনি বলেন, করোনার কারণে আমাদের শিখন ঘাটতি হয়েছে। তবে কোথায় ঘাটতি হয়েছে, কি করতে হবে, সেজন্য এরইমধ্যে গবেষণা করেছে আমাদের পরীক্ষা উন্নয়ন ইউনিট। গবেষক ও শিক্ষাক্রমের সঙ্গে যারা যুক্ত তারা কর্মশালা করেছেন, পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা হয়েছে। শিখন ঘাটতি পূরণে আমরা দ্রুত কাজ শুরু করব। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে বৈঠক হবে। সেখান থেকে তারিখ চূড়ান্ত হবে। তবে সেটা আগামী মাস থেকেই শুরু হবে।

সোমবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর একটি হোটেলে মালালা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এডুকেশন চ্যাম্পিয়ন নেটওয়ার্ক, বাংলাদেশের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতা নেওয়ার আগে ২০০৯ সালে কারিগরিতে এনরোলমেন্ট ছিল ১ শতাংশ। ক্ষমতায় আসার পর ২০২০ সালের মধ্যে ২০ শতাংশ নিশ্চিত করার টার্গেট নেওয়া হয়েছিল। তখন অনেকেই বলেছিল, এটা সম্ভব হবে না। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে এনরোলমেন্ট হয়েছে ১৭ শতাংশের বেশি। নতুন কারিকুলামে আমরা কারিগরি শিক্ষায় জোর দিচ্ছি। কিন্তু এখানে একটা সমস্যা হলো শিক্ষক সংকট। যারা কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছেন, তারা শিক্ষকতার চেয়ে এই দক্ষতা দিয়ে চাকরি করছেন। কারণ তার এই শিক্ষায় শিক্ষকতার চেয়ে অন্য পেশায় আয় বেশি। এজন্য আমরা প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনতে চাইছি, যার মাধ্যমে শিক্ষক শিক্ষার্থীর কাছে নয়, শিক্ষার্থী শিক্ষকের কাছে যাবেন।

মালালা ফাউন্ডেশনের বাংলাদেশি প্রতিনিধি মোশাররফ হোসেন তানসেন বলেন, মেয়ে শিশুদের সিদ্ধান্ত যেন তারাই নিতে পারে, সেজন্য কাজ করছে ফাউন্ডেশন। পাশাপাশি তাদের শিক্ষা গ্রহণে সামাজিক বাধা দূর করার কাজ করছে এই ফাউন্ডেশন। আমাদের লক্ষ্য প্রতিটি মেয়ে শিশু যেন তার ১২ বছরের শিক্ষা জীবন শেষ করতে পারে।

তিনি বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে নারী শিক্ষার সমস্যাগুলো কীভাবে সমাধান করা হচ্ছে, সেগুলো এডুকেশন চ্যাম্পিয়ন নেটওয়ার্কে নিয়ে আসা হচ্ছে এবং তা ছড়িয়ে দেওয়ার কাজ করছে মালালা ফাউন্ডেশন। এডুকেশন চ্যাম্পিয়ন নেটওয়ার্কে এখন ৯টি দেশের ৭০ জন চ্যাম্পিয়ন আছেন। যারা শিক্ষার কাজে নিজেকে ব্রত করছেন, তাদেরকে এই নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হচ্ছে।

মালালা ফাউন্ডেশনের বাংলাদেশি প্রতিনিধি মোশাররফ হোসেন তানসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ক্যাম্পেইন ফর পপুলার এডুকেশন (ক্যাম্পে) এর প্রধান ড. মঞ্জুর আহমেদ, পিপলস ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রাম ইমপ্লিমেন্টেশন (পপি) এর নির্বাহী পরিচালক মোর্শেদ আলম সরকার, ফ্রেন্ডশিপ-এর নির্বাহী পরিচালক রুনা খান এবং মালালা ফাউন্ডেশনের গ্লোবাল প্রোগ্রাম ডিরেক্টর ইসা মিয়া।