শিক্ষার্থীদের ডাস্টবিন ব্যবহারের আহ্বান জবি উপাচার্যের


Desk report | Published: 2022-09-19 17:44:41 BdST | Updated: 2022-10-01 01:45:33 BdST

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেছেন, ক্যাম্পাস কিংবা ক্যাম্পাসের বাইরে যেখানেই অবস্থান করেন, সব সময় ময়লা-আর্বজনা ফেলতে ডাস্টবিন ব্যবহার করবে।

আদর্শ ক্যাম্পাস গঠনের লক্ষ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে তিন দিনব্যাপী ক্যাম্পাস পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের আজ ছিল শেষ দিন। কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে উপাচার্য শিক্ষার্থীদের এ আহ্বান জানান।

সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহীদ রফিক ভবনের সামনে এ ক্যাম্পেইনের কার্যক্রম সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়। ক্যাম্পাসকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে সচেতনতা তৈরিই ছিল এ ক্যাম্পেইনের মূল লক্ষ্য।

এর আগে গত ৭ ও ৮ সেপ্টেম্বর ক্যাম্পাসে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন জন্য একদল শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এ কার্যক্রম শুরু করে।

উপাচার্য বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়টি ছোট একটি ক্যাম্পাস, এ ছোট ক্যাম্পাসকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা আমাদের সবার দায়িত্ব। এই কাজকে একটা সুশৃঙ্খল পদ্ধতিতে করার লক্ষ্যে আমরা একটা শক্তিশালী কমিটি করে দিয়েছি। এ কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসকে পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আমাদের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়েছে। আমরা চাই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি বিভাগ থেকে শিক্ষার্থীরা এ কাজে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করুক।

তিনি আরও বলেন, ক্যাম্পাসের এ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নের কাজে অংশগ্রহণকরীদের মাঝে সনদের ব্যবস্থাও করা হবে। পরে এটি খুবই কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। যদি আমরা আমাদের ক্যাম্পাসকে নিজেরাই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন না রাখি তাহলে কে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখবে।

ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দিন আহমেদ বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নের দিক থেকে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে এক অনন্য দৃষ্টান্ত। আমাদের উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

ক্যাম্পেইনে আরও উপস্থিত ছিলেন আর্থ অ্যান্ড লাইফ সায়েন্সের ডিন অধ্যাপক ড. মনিরুজ্জামান, শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামালসহ অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।