ড. ইমতিয়াজ আহমেদের বইয়ে উদ্ভট তথ্য: আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | Published: 2023-04-04 18:50:44 BdST | Updated: 2024-05-25 14:42:29 BdST

ড. ইমতিয়াজ আহমেদের বইয়ে বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও গণহত্যা সম্পর্কে অসত্য, বিকৃত ও উদ্ভট তথ্য উপস্থাপনের নিন্দা প্রকাশ ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে বঙ্গবন্ধু পরিষদ। 

৩ এপ্রিল সোমবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়। 

বঙ্গবন্ধু পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. আ ব ম ফারুক উপরিউক্ত বিষয়ে আজ এক যুক্ত-বিবৃতিতে বলেন –

“সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত একটি নিবন্ধে (শিরোনাম: ঢাবি অধ্যাপকের বাঙালি, বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধুর উপর অমার্জনীয় লেখনী) বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপীল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত মাননীয় বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মাণিক লিখেছেন যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ও জেনোসাইড স্টাডি সেন্টারের পরিচালক ও বিশিষ্ট পন্ডিত ব্যক্তি ড. ইমতিয়াজ আহমেদ তার লেখা বইতে (Imtiaz Ahmed, Historicizing 1971 Genocide: State Versus Person, Dhaka, January 2009) উল্লেখ করেছেন যে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নাকি একাত্তরের ৭ই মার্চের ভাষণ শেষে ‘জয় পাকিস্তান’ বলেছেন; আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে বাংলাদেশে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পরিচালিত গণহত্যাকে নাকি ‘গণহত্যা’ বলা যাবে না এবং একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের সংখ্যা নিয়েও ড. ইমতিয়াজ সন্দেহ প্ৰকাশ করেছেন।

এই সব অভিযোগ জাতির জন্ম-ইতিহাস ও জাতির পিতার মহান সংগ্রামের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত বিধায় বঙ্গবন্ধু পরিষদ এ বিষয়ে জরুরি খোঁজ নিয়েছে। এই খোঁজটুকু নিতে সময় লেগেছে কারণ বইটি সম্প্রতি কোনো দোকানে পাওয়া যাচ্ছিল না, এমনকি প্রকাশকের কাছেও নাকি কোনো কপি নেই ।

ড. ইমতিয়াজ বইটির শুরুতেই জানিয়েছেন যে তাঁর পাকিস্তানি বান্ধবী সাবা খটক, যিনি ইসলামাবাদের একটি প্রতিষ্ঠানের সাবেক পরিচালক, এবং বাংলাদেশ ও বিদেশের আরো কয়েকজন বিশিষ্ট শুভানুধ্যায়ীর অনুরোধে তিনি বইটি লিখেছেন এবং একাত্তরের গণহত্যা নিয়ে কাজ করতে কোনো পাকিস্তানি নাগরিকের তহবিল জোগানোর ইচ্ছাকে সত্য উদঘাটন ও দোষীদের চিহ্নিত করার সুবিধার্থে তিনি সাধুবাদ জানিয়েছেন।

কিন্তু যে কারণেই বইটি লেখা হোক, এতে তিনি জাতির পিতার দীর্ঘ সংগ্রাম, ৭ই মার্চের ভাষণ, মহান মুক্তি সংগ্রাম, গণহত্যা ইত্যাদি নিয়ে প্রশংসাসূচক কিছু সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মন্তব্য করলেও পাশাপাশি এগুলো নিয়ে তিনি বেশ কিছু তির্যক, বিকৃত, অসত্য ও জাতীয় ইতিহাসের জন্য ক্ষতিকর মন্তব্য করেছেন যা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। যেমন –

১) একাত্তরের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক বক্তৃতার সমাপ্তিতে বঙ্গবন্ধু ‘জয় বাংলা'র সাথে ‘জয় পাকিস্তান' বলেছেন বলে দাবি করেছেন। তিনি নাকি নিজের কানেই শুনেছেন। তাছাড়া 'জয় পাকিস্তান' বলার পেছনে তিনি যুক্তি দেখাচ্ছেন যে, any suggestion that the speech is a 'declaration of independence' and, therefore, a call for 'unilateral secession', which under international law is illegal, does not hold true. (Op cit, p 40);

....