কারাগারে ঢাবিছাত্রী এলমার স্বামী


Desk report | Published: 2021-12-25 18:11:09 BdST | Updated: 2022-05-20 19:32:35 BdST

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তিন দফায় মোট ৭ দিনের রিমান্ড শেষে ইফতেখারকে আদালতে হাজির করেন। মামলার তদন্ত কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়। আদালত আবেদন গ্রহণ করে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃত্যকলা বিভাগের ছাত্রী এলমা চৌধুরী মেঘলা হত্যা মামলায় তার স্বামী ইফতেখার আবেদীনকে তিন দফা রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বনানী থানার পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) সালাউদ্দিন মোল্লা তিন দফায় মোট ৭ দিনের রিমান্ড শেষে ইফতেখারকে আদালতে হাজির করেন। মামলার তদন্ত কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর হাকিম আতিকুল ইসলাম ইফতেখারকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আদালতে আসামির জামিন আবেদন করেছিলেন জিল্লুর রহমান।

শুনানিতে তিনি বলেন, ‘সম্পূর্ণ সন্দেহের বশীভূত হয়ে আসামিকে তিন দফায় একাধারে সাত দিন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, কিন্তু আসামির কোনো দোষ খুঁজে পাওয়া যায়নি। যেকোনো ধরনের জামিনদারের জিম্মায় তার জামিনের প্রার্থনা করছি। আসামি পলাতক হবেন না, বরং ট্রায়াল ফেস করবেন। তাই সম্ভাব্য যেকোনো শর্তে তার জামিন চাই।’

অপরদিকে বাদী পক্ষে নিয়োগকৃত আইনজীবী আকবর হোসেন জামিনের জোরালো বিরোধিতা করেন।

তিনি বলেন, ‘আসামির পিতা সাবেক সেনা অফিসার। আসামির জামিন হলে তদন্ত ব্যহত হবে। তাই মামলার বিচার কাজ শেষ না হওয়া অবধি তাকে কারাগারে আটক রাখা হোক।’

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক ইফতেখারকে কারাগারে আটক রাখার আদেশ দেন বলে নিশ্চিত করেন আদালতে সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক আলমগীর হোসেন।

বনানী থানায় করা মামলাটিতে গত ১৫ ডিসেম্বর ইফতেখারকে তিন দিন, ১৯ ডিসেম্বর দুই দিন ও ২২ ডিসেম্বর আরও দুই দিনের রিমান্ড দেয় আদালত।

১৪ ডিসেম্বর রাতে রাজধানীর বনানী এলাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে এলমা চৌধুরী মেঘলার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার শরীরে আঘাতের অনেক চিহ্ন রয়েছে।

ঘটনার রাতেই এলমার বাবা সাইফুল ইসলাম চৌধুরী বনানী থানায় হত্যা মামলাটি করেন। এতে এলমার স্বামী ইফতেখার আবেদীন, শ্বশুর অবসর প্রাপ্ত লে. কর্নেল মো. আমিন ও শাশুড়ি শিরিন আমিনকেও আসামি করা হয়েছে।