জাতির পিতার জন্মদিনে শিশুদের নিয়ে ঢাবি ছাত্রলীগের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় | Published: 2023-03-17 17:06:44 BdST | Updated: 2023-04-02 09:42:30 BdST

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৩তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে ১৭ মার্চ দিনব্যাপী কর্মসূচি হাতে নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ। 

শুক্রবার (১৭ মার্চ) সকাল ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার মধ্যদিয়ে শুরু হয় এই আয়োজন। প্রতিযোগিতায় দশটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ২০০ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।  

সকালে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা পরিদর্শনে এসে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আখতারুজ্জামান বলেন, জাতির পিতার নিকট সব সময় শিশুদের বিশেষ ছিল। বঙ্গবন্ধুর সবসময় শিশুদের প্রতি নমনীয় ছিলেন, তাদেরকে ভালোবাসতেন বলেই এই দিনটিকে শিশু দিবস হিসেবে পালন করা হয়ে থাকে। চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার মূল উদ্দেশ্য হলো, শিশুরা বঙ্গবন্ধু, শহীদ মিনার, স্মৃতিসৌধ, জাতীয় পতাকাসহ বিভিন্ন ছবি আঁকার মাধ্যমে তাদের মাঝে সৃজনশীলতা বৃদ্ধির পাশাপাশি গভীর দেশপ্রেম জাগ্রত হবে।

ঢাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত বলেন, বঙ্গবন্ধুর ১০৩তম জন্মবার্ষিকী ও আজকের এই শিশু দিবস উপলক্ষে আয়োজিত চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় প্রায় দুই শাতাধিক শিশু অংশগ্রহণ করেছে।

ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন বলেন, আমরা শিশুদের মনস্তাত্ত্বিক বিকাশের জন্য এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছি। বঙ্গবন্ধু যেমন শিশুদের প্রতি যত্নশীল ছিলেন তেমনই ছাত্রলীগও শিশুদের প্রতি সবসময়ই সদয় ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

এর আগে দিবসের প্রথম প্রহরে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাসভবনে জাতির পিতার স্মৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করে ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতাকর্মীরা।

দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে থাকছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর আবাসিক-অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য ‘সত্তায়-সাহসে-শক্তিতে মুজিব’ শিরোনামে ১০০০ শব্দে প্রবন্ধ রচনা প্রতিযোগিতা, ছাত্রলীগ কর্মীদের মাঝে  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মুখবন্ধে এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সম্পাদনায় স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্মশতবার্ষিকার স্মারকগ্রন্থ ১৭ মার্চ ২০২০ (প্রথম খণ্ড) বিতরণ করা হবে। 

উল্লেখ্য, শিশুদের প্রতি বঙ্গবন্ধুর পরম দরদ আর ভালোবাসার দৃষ্টান্ত হিসেবে ১৯৯৬ সাল থেকে ১৭ মার্চকে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালন করা হয়। প্রিয় জন্মভূমি বাংলাকে শিশুদের জন্য নিরাপদ আবাসভূমি করে তোলা এবং শিশুদের মাঝে বঙ্গবন্ধুর চারিত্রিক দৃঢ়তা, কর্ম ও রাজনৈতিক জীবনের বলিষ্ঠতার শিক্ষা ছড়িয়ে দেয়াই এই দিবসের মূল প্রতায়।

//