‘ডাকসুসহ সব হামলার বিচার নিশ্চিতে লড়াই চলবে’


DU Correspondent | Published: 2023-12-23 08:39:25 BdST | Updated: 2024-04-20 06:22:59 BdST

ডাকসুতে ছাত্রলীগ ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের হামলার বিচারহীনতার চার বছরে প্রতিবাদ সভা করেছে ছাত্র অধিকার পরিষদ।

শুক্রবার (২২ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে চারটায় রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে হামলার বিচার ও নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবিতে প্রতিবাদ সভা করে ছাত্র অধিকার পরিষদ। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম আদীবের নেতৃত্বে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিবাদ সভায় ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও ফ্যাসিবাদ বিরোধী ছাত্রঐক্যের সমন্বয়ক আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, 'পাকিস্তানের সময়েও ডাকসু ভবনে সরাসরি হামলা হয়নি, সেখানে স্বাধীন বাংলাদেশে ছাত্রলীগ ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ সরাসরি নৃশংস হামলা করেছে। হামলায় তখন আমার জিডনি ও চোখে মারাত্মক জখম হয়েছিল। ভিপি নুরের মেরুদণ্ড ফ্র্যাকচারসহ অনেকেরই এখনো দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা চলছে। কিন্তু হামলায় জড়িতদের বিচার না করে উল্টো ছাত্র পরিষদের নামে মামলা হয়েছে। তখনকার হামলায় নেতৃত্বে দেওয়া সাদ্দাম হোসেন পরবর্তী সময়ে পুরস্কার হিসেবে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি হয়েছেন। আমরা ক্যাম্পাসে ডাকসুসহ সব হামলার বিচার নিশ্চিতে লড়াই জারি রাখব।’

হামলার ভুক্তভোগী ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান বলেন, 'সেদিন ছাত্রলীগের ঢাবি শাখার সঞ্জিত চন্দ্র দাস, সাদ্দাম হোসেন ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের আল মামুনদের নেতৃত্বে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা হয়েছে। আমার হাতে ১৮টি সেলাই লেগেছে। ফারবী আইসিইউতে ছিল।’

ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মামুনুর রশীদ মামুনের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি নাহিদ উদ্দিন তারেক, নেওয়াজ খান বাপ্পি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুবাইরুল আলম, প্রচার সম্পাদক আবু রায়হান, বিজ্ঞান সম্পাদক আখতারুজ্জামান সম্রাট, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সভাপতি আসাদ বিন রনি, তিতুমীর কলেজ সভাপতি আফতাব মাহমুদ ও ঢাকা কলেজের রাকিব হোসেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ২২ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ভবনের ভিপি নুরুল হক নুরের রুমে ছাত্রলীগ ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ যৌথভাবে হামলা করে। হামলায় তৎকালীন ভিপি নুরুল হক নুর, আদীব, নাজমুলসহ ২৯ জন আহত হন। এসময় হামলায় গুরুতর আহত হন ভিপি নুরসহ তার অনেক সহযোগী। এঘটনায় ভুক্তভোগীরা শাহবাগ থানা বাদী হয়ে একটি মামলা করলে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের তিনজনকে আটক করা হয়, পরবর্তী সময়ে তাদের জামিন হয়৷