ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানিয়ে কুবি ছাত্রলীগের পদযাত্রা


Al Shahriar | Published: 2024-05-06 21:26:40 BdST | Updated: 2024-05-29 08:07:40 BdST

স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে বিশ্বব্যাপি চলমান ছাত্র আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মোতাবেক পদযাত্রা ও সমাবেশ করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের তিনটি গ্রুপ।

সোমবার (৬ মে) শহিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এনায়েত উল্লাহর নেতৃত্বে দুপুর সাড়ে বারোটায় একটি, শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রেজা-ই-ইলাহির গ্রুপ দুপুর আড়াইটায় এবং বিকাল সাড়ে তিনটায় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদকের নেতৃত্বে ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে এই পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

পদযাত্রাগুলোতে বিশ্ববিদ্যালয়ের গোল চত্বর থেকে পদযাত্রা শুরু হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মূল ফটকের সামনে এসে শেষ হয়। এরপর ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা বাংলাদেশ ও ফিলিস্তিনের পতাকা উত্তোলণ করেন। পদযাত্রায় কুবি শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিভিন্ন স্লোগানে ক্যাম্পাস মুখরিত হয়। 'ইসরায়েলের কালো হাত ভেঙে দাও, গুড়িয়ে দাও। ফিলিস্তিন ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই' সহ বিভিন্ন স্লোগানে নেতাকর্মীরা ফেটে পড়ে।

শাখা ছাত্রলীগের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের সাধারণ সম্পাদক রিফাত আহমেদ বলেন, 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সারাজীবন নির্যাতিত মানুষের পক্ষে লড়ে গেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধু তনয়া দেশরত্ন শেখ হাসিনা ফিলিস্তিনের পক্ষে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে কথা বলেছেন। শেখ হাসিনার পথ অনুসরণ করে আমরা আজকে প্রতিবাদ জানাচ্ছি।'

শহিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ এনায়েত উল্লাহ বলেন, 'স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে বিশ্বব্যাপী চলমান ছাত্র আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নির্দেশনার অংশ হিসেবে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ এ আয়োজন করে।স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি এবং নিরীহ ফিলিস্তিনিদের ওপর মানবতাবিরোধী অপরাধের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী শিক্ষার্থীসমাজ, শিক্ষক ও সচেতন নাগরিকেরা আন্দোলন করছেন। এ আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।'

এ ব্যাপারে শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক বলেন, 'আমাদের এই ছাত্র আন্দোলন আর দেশীয় গণ্ডির ভিতর সীমাবদ্ধ নেই। সীমান্ত ব‍্যারিকেড, ভাষার ব্যবধান সবকিছু মুছে দিয়ে একাকার হয়ে গেছে যুদ্ধ মুক্ত, ন্যায় ও শান্তিপূর্ণ বিশ্ব প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে। আমাদের পূর্বপুরুষরা নিজেদের দেশের মুক্তির জন্য বীরত্বের সঙ্গে যেভাবে লড়াই করেছে ঠিক তেমনি আমরাও ফিলিস্তিনি ভাই-বোনদের স্বাধীনতা সংগ্রামে তাদের পাশে থাকবো।'