রাবিতে ব্যাংকে টাকা জমার দীর্ঘ লাইনে ভোগান্তি


Abu Saleh Shoeb | Published: 2024-05-12 22:51:49 BdST | Updated: 2024-06-19 14:13:07 BdST

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার তিন ইউনিটের (‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’) প্রথম মেধাতালিকায় নাম আসা শিক্ষার্থীদের ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে আজ ১২ মে থেকে। ভর্তির শর্তানুযায়ী, ব্যাংকে ভর্তিচ্ছুদের নির্দিষ্ট টাকা জমা দিতে হচ্ছে। মাত্র একটি ব্যাংকে ফি জমা দেওয়ার ফলে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে তাদের। অনলাইনে টাকা জমা দেওয়ার ব্যবস্থা থাকলে তাদের এ ভোগান্তিতে পড়তে হতো না বলে জানিয়েছেন তারা।

অথচ টাকা জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া ডিজিটাল করলে শিক্ষার্থীদের এই ভোগান্তি পোহাতে হত না বলে মনে করেন অভিভাবক ও ভর্তি হতে আসা শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংক ও সোনালী ব্যাংকের শাখা। এ ছাড়াও ডাচ-বাংলা ব্যাংকের একটি ফাস্ট ট্র‍্যাক জোনও রয়েছে ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে। তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংকের শাখা থাকলেও কেবল সোনালী ব্যাংকে ভর্তি সংশ্লিষ্ট ফি পরিশোধ করা যায়। এতে অনেক সময়ই লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হয় শিক্ষার্থীদের।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী প্রশাসন ভবনে মুল ফটকে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ লাইন। সকলেই এসেছেন ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হতে। কেউ কেউ এক থেকে দেড় ঘণ্টা ধরে দাড়িয়ে আছেন লাইনে।

গাইবান্ধা থেকে ভর্তি হতে আসা মুশফিকা আক্তারের অভিভাবক জানান, গতকাল রাতে জার্নি করে রাজশাহীতে এসেছি। সকাল ৮টা থেকে এখানে আছি। ব্যাংকে টাকা দিতে এসে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে পা ব্যাথা হয়ে গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন যদি ভর্তিচ্ছুদের কথা চিন্তা করে টাকা জমা দেওয়ার বিষয় অনলাইনে করতো তাহলে ভালো হতো।

এ দিকে কুমিল্লা থেকে ভর্তি হতে আসা শিক্ষার্থী হিমেল রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমি ঢাবিতে সমাজবিজ্ঞান সাবজেক্টে ভর্তির সুযোগ পেলেও এখানে ল আসায় এ এখানে ভর্তি হতে এসেছি। কিন্তুু ডিনস্ অফিসে ভাইবায় দীর্ঘ লাইনে দিয়ে আসলাম আবার সোনালী ব্যাংকেও টাকা জমা এসে দীর্ঘ লাইন। এখানে একটা বুথ থাকায় টাকা দিতে দীর্ঘ লাইন হচ্ছে। ব্যাংকে প্রায় দেড় ঘন্টা ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। আমার মনে হয় অনলাইনে টাকা জমা দেওয়ার সিস্টেম করলে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কম হতো।

এবিষয়ে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সুলতান-উল-ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ডিনদের সাথে এ বিষয়ে কথা বলবো কারণ আমাদের দেশে সবকিছু অনলাইনে হচ্ছে। পরবর্তীতে কিভাবে অনলাইন টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা যায় সে একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।